ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ দুর্নীতি-শর্টকাটে দ্রুত বড়লোক হওয়ার চেষ্টা নয়, আদর্শ আইনজীবী হতে হবে: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা

নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৬৮ বার

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে লারিজানিকে হত্যার এই পদক্ষেপের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং হামলাকারীদের জন্য তা হবে বড় ধরনের অনুশোচনার কারণ।

বিবৃতিতে সেনাপ্রধান আমির হাতামি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে হারানোর ক্ষতি অপূরণীয় হলেও ইরান এর জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তিনি লারিজানিকে একজন বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পরিণাম হবে ভয়াবহ। তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া বার্তার পর থেকেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ডস আজ বুধবার এক জরুরি ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে শহীদ আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের হত্যার সরাসরি প্রতিশোধ নিতে তারা ইতোমধ্যে মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী এই হামলাটি ছিল লারিজানি হত্যার বিপরীতে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ।

দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে আলী লারিজানি ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যু এবং পরবর্তী এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব সম্প্রদায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানালেও তেহরানের সামরিক অবস্থান এখন পর্যন্ত বেশ অনমনীয় দেখা যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

আপডেট টাইম : ১২:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে লারিজানিকে হত্যার এই পদক্ষেপের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং হামলাকারীদের জন্য তা হবে বড় ধরনের অনুশোচনার কারণ।

বিবৃতিতে সেনাপ্রধান আমির হাতামি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে হারানোর ক্ষতি অপূরণীয় হলেও ইরান এর জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তিনি লারিজানিকে একজন বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পরিণাম হবে ভয়াবহ। তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া বার্তার পর থেকেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ডস আজ বুধবার এক জরুরি ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে শহীদ আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের হত্যার সরাসরি প্রতিশোধ নিতে তারা ইতোমধ্যে মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী এই হামলাটি ছিল লারিজানি হত্যার বিপরীতে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ।

দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে আলী লারিজানি ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যু এবং পরবর্তী এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব সম্প্রদায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানালেও তেহরানের সামরিক অবস্থান এখন পর্যন্ত বেশ অনমনীয় দেখা যাচ্ছে।