ঢাকা ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তম সম্পদ হলো একজন নেক্কার স্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯
  • ৩৬২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেন, তোমরা মেয়েদের মা-বাবার নাম ধরে গালি দিওনা কেননা আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মেয়েদের বাবা।

রাসূল (সা.) আরো এরশাদ করেছেন, দুনিয়াতে যতকিছু আছে সব তোমাদের জন্য সম্পদ কিন্তু তার মধ্যে উত্তম সম্পদ হলো একজন নেক্কার স্ত্রী। একজন আদর্শ স্ত্রী তার স্বামীকে শারীরিক, মানসিক তৃপ্তি দেয়, ব্যাভিচারের মত জগন্য কাজ থেকে বাঁচায়।

স্বামীর পোশাক ধুয়ে দেয়, রান্না করে খাওয়ায়, ঘর সাজিয়ে রাখে। বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখে, বাড়িতে আসা মেহমানদের আপ্যায়ন করে, বৃদ্ধ মা, বাবার সেবা যত্ন করে, বাবা হতে সাহায্য করে।

ছেলে মেয়ের প্রাথমিক শিক্ষা দেয়। স্বামীর অসুস্থতার সময় পাশে থাকেন তিনি।  বিপদের সময় সান্তনা দেয় স্ত্রী। স্বামী যখন কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকেন তখন স্বামীকে আলতো ভালোবাসা দিয়ে চিন্তা দূর করেন স্ত্রী।

এতসব কিছু ই তো স্বামীর জন্য করে স্ত্রী। এর পরেও স্ত্রী কোনো বিষয় নিয়ে একটু রাগ বা অভিমান করলে একটু ভালোবেসে তার রাগ না ভাঙ্গিয়ে চুলের মুঠি ধরে গালমন্দ করে পিঠায় অনেক স্বামী। নিজ সম্পদ নিজেই মারধর করে নষ্ট করা সঠিক হবে না, বরং সোনা রুপা গয়নার মত হেফাজত করা উচিৎ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তম সম্পদ হলো একজন নেক্কার স্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেন, তোমরা মেয়েদের মা-বাবার নাম ধরে গালি দিওনা কেননা আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মেয়েদের বাবা।

রাসূল (সা.) আরো এরশাদ করেছেন, দুনিয়াতে যতকিছু আছে সব তোমাদের জন্য সম্পদ কিন্তু তার মধ্যে উত্তম সম্পদ হলো একজন নেক্কার স্ত্রী। একজন আদর্শ স্ত্রী তার স্বামীকে শারীরিক, মানসিক তৃপ্তি দেয়, ব্যাভিচারের মত জগন্য কাজ থেকে বাঁচায়।

স্বামীর পোশাক ধুয়ে দেয়, রান্না করে খাওয়ায়, ঘর সাজিয়ে রাখে। বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখে, বাড়িতে আসা মেহমানদের আপ্যায়ন করে, বৃদ্ধ মা, বাবার সেবা যত্ন করে, বাবা হতে সাহায্য করে।

ছেলে মেয়ের প্রাথমিক শিক্ষা দেয়। স্বামীর অসুস্থতার সময় পাশে থাকেন তিনি।  বিপদের সময় সান্তনা দেয় স্ত্রী। স্বামী যখন কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকেন তখন স্বামীকে আলতো ভালোবাসা দিয়ে চিন্তা দূর করেন স্ত্রী।

এতসব কিছু ই তো স্বামীর জন্য করে স্ত্রী। এর পরেও স্ত্রী কোনো বিষয় নিয়ে একটু রাগ বা অভিমান করলে একটু ভালোবেসে তার রাগ না ভাঙ্গিয়ে চুলের মুঠি ধরে গালমন্দ করে পিঠায় অনেক স্বামী। নিজ সম্পদ নিজেই মারধর করে নষ্ট করা সঠিক হবে না, বরং সোনা রুপা গয়নার মত হেফাজত করা উচিৎ।