ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাগদান সম্পন্ন, বিয়ে হবে দেশের আইন মেনে : লুবাবা ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনে যাচ্ছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ : ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস আওয়ামী লীগের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার : প্রধানমন্ত্রী বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০ তরমুজের নাম বেঙ্গল টাইগার! জেনে নিন তরমুজের ইতিহাস, পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পাকা তরমুজ চেনার উপায় বুধবার শুরু ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো

আইভীকে ক্ষমা চাইতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯
  • ২৭৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ক্ষমা চাইতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দন শীল এ আল্টিমেটাম দিয়েছেন। রোববার (১৬ জুন) শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বোমা হামলার ১৮তম বার্ষিকীতে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর এ আল্টিমেটাম দেন হামলায় দুই পা হারানো চন্দন শীল।

তিনি বলেন, বোমা হামলায় নিহতদের নামফলকের পাশে ময়লার ডাস্টবিন রাখার তীব্র নিন্দা জানাই। সিটি করপোরেশনের অযত্ম-অবহেলায় নামফলকটির চারপাশে সবসময় ময়লা জমে থাকে। যত ময়লা আছে, সব এখানে ফেলা হয়। এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের কোনো উদ্যোগ নেই। এ জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়রকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে ময়লার ডাস্টবিন সরাতে হবে। আমরা তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলাম। এর মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলেন, এ বোমা হামলায় যারা নিহত হয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগের জন্যই নিহত হয়েছেন। আর তিনি আওয়ামী লীগের মেয়র হয়েও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এখানে শহীদ মিনার স্থাপন করেছেন। আমরা একবারও বলিনি, আমাদের শহীদদের সম্মান করেন। সম্মান করার প্রয়োজন নেই, কিন্তু তাদের নাম এখানে বসিয়ে অসম্মান করবেন না। এ অধিকার কারও নেই।

২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভয়াবহ বোমা হামলায় প্রাণ হারান ২০ জন। ওই দিন রাতে পৌনে আটটার দিকে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখনই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২০ জন নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছিলেন শামীম ওসমানসহ অর্ধশতাধিক মানুষ। এ ঘটনায় অনেকেই পঙ্গু হয়ে গেছেন চিরতরে। দীর্ঘ ১৮ বছরেও এ মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (১৬ জুন) নিহতদের পরিবারের আয়োজনে চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে নামফলক সম্বলিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগদান সম্পন্ন, বিয়ে হবে দেশের আইন মেনে : লুবাবা

আইভীকে ক্ষমা চাইতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে

আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ক্ষমা চাইতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দন শীল এ আল্টিমেটাম দিয়েছেন। রোববার (১৬ জুন) শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বোমা হামলার ১৮তম বার্ষিকীতে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর এ আল্টিমেটাম দেন হামলায় দুই পা হারানো চন্দন শীল।

তিনি বলেন, বোমা হামলায় নিহতদের নামফলকের পাশে ময়লার ডাস্টবিন রাখার তীব্র নিন্দা জানাই। সিটি করপোরেশনের অযত্ম-অবহেলায় নামফলকটির চারপাশে সবসময় ময়লা জমে থাকে। যত ময়লা আছে, সব এখানে ফেলা হয়। এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের কোনো উদ্যোগ নেই। এ জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়রকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে ময়লার ডাস্টবিন সরাতে হবে। আমরা তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলাম। এর মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলেন, এ বোমা হামলায় যারা নিহত হয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগের জন্যই নিহত হয়েছেন। আর তিনি আওয়ামী লীগের মেয়র হয়েও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এখানে শহীদ মিনার স্থাপন করেছেন। আমরা একবারও বলিনি, আমাদের শহীদদের সম্মান করেন। সম্মান করার প্রয়োজন নেই, কিন্তু তাদের নাম এখানে বসিয়ে অসম্মান করবেন না। এ অধিকার কারও নেই।

২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভয়াবহ বোমা হামলায় প্রাণ হারান ২০ জন। ওই দিন রাতে পৌনে আটটার দিকে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখনই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২০ জন নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছিলেন শামীম ওসমানসহ অর্ধশতাধিক মানুষ। এ ঘটনায় অনেকেই পঙ্গু হয়ে গেছেন চিরতরে। দীর্ঘ ১৮ বছরেও এ মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (১৬ জুন) নিহতদের পরিবারের আয়োজনে চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে নামফলক সম্বলিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।