ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মহিষারকান্দি গ্রামের পাকা রাস্তা কবে হবে ? দুর্ভোগে দিন কাটছে বাসিন্দাদের বাগদান সম্পন্ন, বিয়ে হবে দেশের আইন মেনে : লুবাবা ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনে যাচ্ছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ : ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস আওয়ামী লীগের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার : প্রধানমন্ত্রী বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০ তরমুজের নাম বেঙ্গল টাইগার! জেনে নিন তরমুজের ইতিহাস, পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পাকা তরমুজ চেনার উপায়

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে জনসাধারণকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: পাপন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯
  • ৩১৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমপি।

শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকতে পারে। সেজন্য মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে দিলে তা বদলে দেওয়া হয়। যেহেতু দোকান মালিকদের কোনো লোকসান গুনতে হয় না, তাই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করারও প্রয়োজন পড়ে না। এর পরও কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করলে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর শাহরিয়ার এক অনুষ্ঠানে রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধ কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষে সভাপতি পাপন সংবাদ সম্মেলন করে মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার এ আহ্বান জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে পাপন বলেন, ‘দেশের আড়াইশ’র মতো নিবন্ধিত ওষুধ কোম্পানি আছে। তাদের মধ্যে একশ’র মতো কোম্পানি ওষুধ শিল্প সমিতির সদস্য। সমিতির আওতায় থাকা ওষুধ কোম্পানিগুলো দোকান মালিকদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বদলে দেয়। এর বাইরে অন্য কোম্পানিগুলোর কথা নির্দিষ্ট করে বলতে পারি না। তবে ওইসব কোম্পানিও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বদল করে দেয় বলে মনে করি। তারা সেটি না করে থাকলে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আহ্বান থাকবে, ওইসব কোম্পানি ও দোকান মালিকদের বিরুদ্ধে যেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, বিদেশ আমদানি করা ওষুধ বিক্রেতা বদল করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হতে পারে। তবে দোকান মালিকদের প্রতি আহ্বান থাকবে- মুনাফার চিন্তা না করে মানুষকে বাঁচাতে হবে। সেজন্য মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোনোভাবেই বিক্রি করা যাবে না।

তিনি জানান, শিগগিরই ওষুধ কোম্পানি মালিকদের নিয়ে সভা করা হবে। সেখানে এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নষ্ট করার বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাই এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মহিষারকান্দি গ্রামের পাকা রাস্তা কবে হবে ? দুর্ভোগে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে জনসাধারণকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: পাপন

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমপি।

শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকতে পারে। সেজন্য মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে দিলে তা বদলে দেওয়া হয়। যেহেতু দোকান মালিকদের কোনো লোকসান গুনতে হয় না, তাই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করারও প্রয়োজন পড়ে না। এর পরও কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করলে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর শাহরিয়ার এক অনুষ্ঠানে রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধ কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষে সভাপতি পাপন সংবাদ সম্মেলন করে মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার এ আহ্বান জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে পাপন বলেন, ‘দেশের আড়াইশ’র মতো নিবন্ধিত ওষুধ কোম্পানি আছে। তাদের মধ্যে একশ’র মতো কোম্পানি ওষুধ শিল্প সমিতির সদস্য। সমিতির আওতায় থাকা ওষুধ কোম্পানিগুলো দোকান মালিকদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বদলে দেয়। এর বাইরে অন্য কোম্পানিগুলোর কথা নির্দিষ্ট করে বলতে পারি না। তবে ওইসব কোম্পানিও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বদল করে দেয় বলে মনে করি। তারা সেটি না করে থাকলে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আহ্বান থাকবে, ওইসব কোম্পানি ও দোকান মালিকদের বিরুদ্ধে যেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, বিদেশ আমদানি করা ওষুধ বিক্রেতা বদল করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হতে পারে। তবে দোকান মালিকদের প্রতি আহ্বান থাকবে- মুনাফার চিন্তা না করে মানুষকে বাঁচাতে হবে। সেজন্য মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোনোভাবেই বিক্রি করা যাবে না।

তিনি জানান, শিগগিরই ওষুধ কোম্পানি মালিকদের নিয়ে সভা করা হবে। সেখানে এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নষ্ট করার বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাই এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।