ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে নির্মাণ হচ্ছে ৯ মডেল মসজিদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০১৯
  • ২৮৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কক্সবাজারে প্রায় একশ কোটি টাকা ব্যয় সরকারিভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৯টি মডেল মসজিদ। ইসলামি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এসব মসজিদ বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত বিভাগ। জেলার তিনটি উপজেলা ব্যতীত অন্যন্য উপজেলায় ঈদের পরপরই মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, গত বছরের ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬০টি মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ৯টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সমগ্র দেশের মতো কক্সবাজারে আটটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় মোট ৯টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া, পেকুয়া এবং রামু ছাড়া অন্য উপজেলা মসজিদের নির্মাণের দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। আশা করি, ঈদের পরেই দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। রামু, পেকুয়া, কুতুবদিয়ায় জমি পাওয়া গেলে সেখানেও দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে নির্মাণ হচ্ছে ৯ মডেল মসজিদ

আপডেট টাইম : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কক্সবাজারে প্রায় একশ কোটি টাকা ব্যয় সরকারিভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৯টি মডেল মসজিদ। ইসলামি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এসব মসজিদ বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত বিভাগ। জেলার তিনটি উপজেলা ব্যতীত অন্যন্য উপজেলায় ঈদের পরপরই মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, গত বছরের ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬০টি মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ৯টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সমগ্র দেশের মতো কক্সবাজারে আটটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় মোট ৯টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া, পেকুয়া এবং রামু ছাড়া অন্য উপজেলা মসজিদের নির্মাণের দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। আশা করি, ঈদের পরেই দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। রামু, পেকুয়া, কুতুবদিয়ায় জমি পাওয়া গেলে সেখানেও দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।