ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায় জবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন অফিসে অবস্থান-জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা স্বাস্থ্য খাত দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারি ছুটিতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল পরিদর্শনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামাতে ৪ মুসলিম দেশের জরুরি বৈঠক শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মামুন ও মাসুদ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে নতুন ডিসি নিয়োগ ঢাকায় পৌঁছেছে স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের মরদেহ

রাসূল সাঃ এর সরকার কাঠামো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯
  • ৪২৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তম শতাব্দীতে আরবে ইসলামের অত্যুদয় ও বিকাশ এক অসাধারণ ঘটনা। এর অতি অল্প কালের মধ্যে মদীনায় একটি ইসলামী আদর্শবাদ ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামাের প্রতিষ্ঠা ঘটে। রাজনৈতিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এ নয়া রাষ্ট্র দ্রুত একটি স্পষ্ট রূপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব মহানবী (সা.)-এর।

মদীনায় হিজরতের পর পরই রাসূল (সা.) আনসার এবং মুহাজিরদের মধ্যে ঐক্যের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ভবিষ্যত ইসলামী রাষ্ট্র কাঠামাের জন্য এ ঐক্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক উপাদান। রাসূল (সা.) একই সাথে সামাজিক বৈষম্য তথা ভেদাভেদ সম্পূর্ণ রহিত করাসহ ধর্ম নির্বিশেষে সাম্য ও সমতার নীতি চালু করেন। ফলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করেও ইহুদী, খৃষ্টান ও পৌত্তলিক আরবরা একই রাষ্ট্রের অভিন্ন অধিবাসীতে পরিণত হয়।

ক্ষেত্র বিশেষে অমুসলমানগণ আরব, ইহুদী ও খৃষ্টানরা ভিন আচরণ লাভ করে। যাহােক, রাসূল (সা.) একদিকে অব্যাহত বিজয়াভিযান অন্যদিকে নয়া ইসলামী রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা কাঠামাের দিকে তার সদা সতর্ক দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছিলেন। এ কারণেই আরবের গােত্র শাসিত এলাকার প্রচলিত প্রথা ভেংগে দিয়ে ইসলামী রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। এক সময় তা সমগ্র আরব উপদ্বীপে সম্প্রসারিত হয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতাধীনে স্থাপিত হয়ে এক নজিরবিহীন উদাহরণ সৃষ্টি করে। মূলতঃ কেন্দ্রীয় সরকারের অভিজ্ঞতা আরববাসীদের জীবনে সেই প্রথম।

রাসূল (সা.) সামাজিক ঐক্য-শৃংখলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অসাধারণ সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অনেক ক্ষেত্রে একই সাথে এ দুটি পক্ষকে কাজে লাগানাের ঘটনা এবং তাতে প্রভূত সাফল্য অর্জিত হয়। এর ফলে নয়া রাষ্ট্রের অনুসারী মুসলমানদের নয়া ইসলামী রাষ্ট্র বহু অনাকাংক্ষিত প্রতিবন্ধকতা সহজে অতিক্রম করে এবং রাষ্ট্রকে সুগঠিত ও সমৃদ্ধ করে তােলার সুযােগ আসে। এর পিছনে ছিল মহানবী (সা.)-এর সুগভীর প্রজ্ঞা, অতুলনীয় দূরদৃষ্টি এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জ্ঞান।

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াসীন মাযহার সিদ্দিকী রচিত ‘অর্গানাইজেশন অব গভর্নমেন্ট আন্ডার দি প্রফেট (সা.)’ বইটি এক্ষেত্রে একটি নতুন সংযােজন। বইটিতে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সময়ে মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার কাঠামাের কথা আলােচিত হয়েছে। ইসলামী রাষ্ট্রের নিরংকুশ ক্ষমতার অধিকারী হয়েও মদীনা সনদের আলােকে মুসলমান, ইহুদী, খৃষ্টান ও পৌত্তলিকদের ঐক্যের ভিত্তিতে যে রাষ্ট্রীয় আদর্শ তিনি গড়েছিলেন তা বইটিতে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামরিক সংগঠন, বেসামরিক প্রশাসন, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামাে ইত্যাদি বিষয়ক আলােচনা সম্বলিত এমন একটি বই সকল মুসলিমের পড়া উচিত।

বইটি পড়তে ও ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
 রাসূল সাঃ এর সরকার কাঠামো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায়

রাসূল সাঃ এর সরকার কাঠামো

আপডেট টাইম : ০৪:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তম শতাব্দীতে আরবে ইসলামের অত্যুদয় ও বিকাশ এক অসাধারণ ঘটনা। এর অতি অল্প কালের মধ্যে মদীনায় একটি ইসলামী আদর্শবাদ ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামাের প্রতিষ্ঠা ঘটে। রাজনৈতিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এ নয়া রাষ্ট্র দ্রুত একটি স্পষ্ট রূপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব মহানবী (সা.)-এর।

মদীনায় হিজরতের পর পরই রাসূল (সা.) আনসার এবং মুহাজিরদের মধ্যে ঐক্যের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ভবিষ্যত ইসলামী রাষ্ট্র কাঠামাের জন্য এ ঐক্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক উপাদান। রাসূল (সা.) একই সাথে সামাজিক বৈষম্য তথা ভেদাভেদ সম্পূর্ণ রহিত করাসহ ধর্ম নির্বিশেষে সাম্য ও সমতার নীতি চালু করেন। ফলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করেও ইহুদী, খৃষ্টান ও পৌত্তলিক আরবরা একই রাষ্ট্রের অভিন্ন অধিবাসীতে পরিণত হয়।

ক্ষেত্র বিশেষে অমুসলমানগণ আরব, ইহুদী ও খৃষ্টানরা ভিন আচরণ লাভ করে। যাহােক, রাসূল (সা.) একদিকে অব্যাহত বিজয়াভিযান অন্যদিকে নয়া ইসলামী রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা কাঠামাের দিকে তার সদা সতর্ক দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছিলেন। এ কারণেই আরবের গােত্র শাসিত এলাকার প্রচলিত প্রথা ভেংগে দিয়ে ইসলামী রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। এক সময় তা সমগ্র আরব উপদ্বীপে সম্প্রসারিত হয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতাধীনে স্থাপিত হয়ে এক নজিরবিহীন উদাহরণ সৃষ্টি করে। মূলতঃ কেন্দ্রীয় সরকারের অভিজ্ঞতা আরববাসীদের জীবনে সেই প্রথম।

রাসূল (সা.) সামাজিক ঐক্য-শৃংখলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অসাধারণ সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অনেক ক্ষেত্রে একই সাথে এ দুটি পক্ষকে কাজে লাগানাের ঘটনা এবং তাতে প্রভূত সাফল্য অর্জিত হয়। এর ফলে নয়া রাষ্ট্রের অনুসারী মুসলমানদের নয়া ইসলামী রাষ্ট্র বহু অনাকাংক্ষিত প্রতিবন্ধকতা সহজে অতিক্রম করে এবং রাষ্ট্রকে সুগঠিত ও সমৃদ্ধ করে তােলার সুযােগ আসে। এর পিছনে ছিল মহানবী (সা.)-এর সুগভীর প্রজ্ঞা, অতুলনীয় দূরদৃষ্টি এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জ্ঞান।

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াসীন মাযহার সিদ্দিকী রচিত ‘অর্গানাইজেশন অব গভর্নমেন্ট আন্ডার দি প্রফেট (সা.)’ বইটি এক্ষেত্রে একটি নতুন সংযােজন। বইটিতে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সময়ে মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার কাঠামাের কথা আলােচিত হয়েছে। ইসলামী রাষ্ট্রের নিরংকুশ ক্ষমতার অধিকারী হয়েও মদীনা সনদের আলােকে মুসলমান, ইহুদী, খৃষ্টান ও পৌত্তলিকদের ঐক্যের ভিত্তিতে যে রাষ্ট্রীয় আদর্শ তিনি গড়েছিলেন তা বইটিতে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামরিক সংগঠন, বেসামরিক প্রশাসন, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামাে ইত্যাদি বিষয়ক আলােচনা সম্বলিত এমন একটি বই সকল মুসলিমের পড়া উচিত।

বইটি পড়তে ও ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
 রাসূল সাঃ এর সরকার কাঠামো