ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জাকাত দেওয়ার হিসাব কী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০১৯
  • ৩১৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জানতে চেয়েছেন তানিয়া ফেরদৌস, চরফ্যাশন, ভোলা থেকে সম্পদের ৪০ ভাগের একভাগ যাকাত আদায় করা ফরজ। অর্থাৎ শতকরা আড়াই টাকা। কাজেই কারও আশি হাজার টাকা জাকাতযোগ্য সম্পদ থাকলে সে দুই হাজার টাকা যাকাত দেবে।

জাকাতের অর্থবছর চান্দ্র মাস হিসেবে নির্ধারণ হবে। ধরা যাক কেউ রজব মাসের ৫ তারিখে নেসাবের মালিক হলো। তাহলে আগামী বছর রজবের ৪ তারিখে তার বছর পূর্ণ হবে। ওই দিন তার কাছে যে সম্পদ থাকবে তার জাকাত আদায় করবে।

জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য শর্ত হলো, বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। উপরে উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী রজবের ৫ তারিখে তো তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবেই। জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য পরের বছর রজবের ৪ তারিখে তার কাছে কমপক্ষে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। যদি না থাকে তবে তার উপরে জাকাত ফরজ হবে না। নতুনভাবে যেদিন নেসাবের মালিক হবে সেদিন থেকে নতুন করে বছর শুরু হবে।

জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ মাল থাকা যথেষ্ট। মাঝখানে যদি মাল কমে যায় এমনকি নেসাব থেকে কমে গেলেও জাকাত ফরজ থাকবে। তবে যদি মাঝখানে পুরো সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়, তার কাছে কোনো সম্পদ না থাকে তাহলে আগের হিসাব বাতিল হবে। আবার যখন নেসাবের মালিক হবে নতুন করে হিসাব ধরা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জাকাত দেওয়ার হিসাব কী

আপডেট টাইম : ১২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জানতে চেয়েছেন তানিয়া ফেরদৌস, চরফ্যাশন, ভোলা থেকে সম্পদের ৪০ ভাগের একভাগ যাকাত আদায় করা ফরজ। অর্থাৎ শতকরা আড়াই টাকা। কাজেই কারও আশি হাজার টাকা জাকাতযোগ্য সম্পদ থাকলে সে দুই হাজার টাকা যাকাত দেবে।

জাকাতের অর্থবছর চান্দ্র মাস হিসেবে নির্ধারণ হবে। ধরা যাক কেউ রজব মাসের ৫ তারিখে নেসাবের মালিক হলো। তাহলে আগামী বছর রজবের ৪ তারিখে তার বছর পূর্ণ হবে। ওই দিন তার কাছে যে সম্পদ থাকবে তার জাকাত আদায় করবে।

জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য শর্ত হলো, বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। উপরে উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী রজবের ৫ তারিখে তো তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবেই। জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য পরের বছর রজবের ৪ তারিখে তার কাছে কমপক্ষে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। যদি না থাকে তবে তার উপরে জাকাত ফরজ হবে না। নতুনভাবে যেদিন নেসাবের মালিক হবে সেদিন থেকে নতুন করে বছর শুরু হবে।

জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ মাল থাকা যথেষ্ট। মাঝখানে যদি মাল কমে যায় এমনকি নেসাব থেকে কমে গেলেও জাকাত ফরজ থাকবে। তবে যদি মাঝখানে পুরো সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়, তার কাছে কোনো সম্পদ না থাকে তাহলে আগের হিসাব বাতিল হবে। আবার যখন নেসাবের মালিক হবে নতুন করে হিসাব ধরা হবে।