ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

গলাচিপায় কাঁঠাল ও আম গাছের বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৯
  • ৩৮৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় কাঁঠাল ও আম গাছের কোনো প্রকার পরিচর্যা না করেই বাম্পার ফলন হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহর ও গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতে পরিকল্পিত ভাবে কাঁঠাল ও আম গাছের চাষ বা বাগান না থাকলেও প্রত্যেক বাড়ীতেই রয়েছে একটি কাঁঠাল ও আম গাছ বা অনেক বাড়ীর বাগান ও পুকুর পাড়ে রয়েছে একের অধিক কাঁঠাল ও আম গাছ।

এসব গাছে রয়েছে প্রচুর ফল। এ অঞ্চলের কাঁঠালের প্রয়োজনীয় চাহিদা এবার যে ফলন হয়েছে তাতে হয়ত অনেকটা মেটানো সম্ভব হবে। কিন্তু এ অঞ্চলের আমের বাম্পার ফলন হলেও দেশের উত্তর অঞ্চলের মত বড় জাতের আমের ফলন দেখাই যায়না আর খেতে স্বাদও তেমন ভাল হয় না।

এ অঞ্চলে প্রচলিত প্রথা হল “বৈশাখের শেষে জৈষ্ঠ মাসে বাড়ীর মেয়ে-জামাইকে নাইওর করে আম ও কাঁঠাল না খাওয়ালে মেয়ে-জামাই শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর উপর বেজায় অখুশী হন”। শ্বশুর-শ্বাশুড়ী দরিদ্র হলেও সুদে টাকা এনে হলেও মেয়ে জামাইকে আম ও কাঁঠাল খাওয়ানো চাই কারণ মেয়ে-জামাইয়ের মন রক্ষা করতে হবে। আম ও কাঁঠালের চাহিদা মেটানোর জন্য নির্ভর করতে হয় যশোর, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ সহ দেশের অনেক জেলার উপর।

দেশের উত্তারাঞ্চলের জেলাগুলোতে পরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে দেশের সমস্ত এলাকার চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তবে এ অঞ্চলেও উন্নত জাতের আম চাষে বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক বাড়ীতে বড় জাতের আম দেখা গেছে। যদি কোন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগজনিত কারনে ফসলের ক্ষতি না হয় তাহলে হয়ত অনেকটা চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ্ কা‌ছে জান‌তে চাই‌লে তি‌নি সাংবাদিককে ব‌লেন, যদিও এ উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে আম ও কাঁঠালের চাষে কৃষকদের তেমন আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। তারপরও প্রত্যেক বাড়ীতে একটি বা তারও বেশী আম ও কাঁঠালের গাছ লক্ষ্য করা গেছে ফলনও ভাল কিন্তু সঠিক পরিচর্যার অভাবে ঠিকমত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

গলাচিপায় কাঁঠাল ও আম গাছের বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ০৬:২০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় কাঁঠাল ও আম গাছের কোনো প্রকার পরিচর্যা না করেই বাম্পার ফলন হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহর ও গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতে পরিকল্পিত ভাবে কাঁঠাল ও আম গাছের চাষ বা বাগান না থাকলেও প্রত্যেক বাড়ীতেই রয়েছে একটি কাঁঠাল ও আম গাছ বা অনেক বাড়ীর বাগান ও পুকুর পাড়ে রয়েছে একের অধিক কাঁঠাল ও আম গাছ।

এসব গাছে রয়েছে প্রচুর ফল। এ অঞ্চলের কাঁঠালের প্রয়োজনীয় চাহিদা এবার যে ফলন হয়েছে তাতে হয়ত অনেকটা মেটানো সম্ভব হবে। কিন্তু এ অঞ্চলের আমের বাম্পার ফলন হলেও দেশের উত্তর অঞ্চলের মত বড় জাতের আমের ফলন দেখাই যায়না আর খেতে স্বাদও তেমন ভাল হয় না।

এ অঞ্চলে প্রচলিত প্রথা হল “বৈশাখের শেষে জৈষ্ঠ মাসে বাড়ীর মেয়ে-জামাইকে নাইওর করে আম ও কাঁঠাল না খাওয়ালে মেয়ে-জামাই শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর উপর বেজায় অখুশী হন”। শ্বশুর-শ্বাশুড়ী দরিদ্র হলেও সুদে টাকা এনে হলেও মেয়ে জামাইকে আম ও কাঁঠাল খাওয়ানো চাই কারণ মেয়ে-জামাইয়ের মন রক্ষা করতে হবে। আম ও কাঁঠালের চাহিদা মেটানোর জন্য নির্ভর করতে হয় যশোর, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ সহ দেশের অনেক জেলার উপর।

দেশের উত্তারাঞ্চলের জেলাগুলোতে পরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে দেশের সমস্ত এলাকার চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তবে এ অঞ্চলেও উন্নত জাতের আম চাষে বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক বাড়ীতে বড় জাতের আম দেখা গেছে। যদি কোন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগজনিত কারনে ফসলের ক্ষতি না হয় তাহলে হয়ত অনেকটা চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ্ কা‌ছে জান‌তে চাই‌লে তি‌নি সাংবাদিককে ব‌লেন, যদিও এ উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে আম ও কাঁঠালের চাষে কৃষকদের তেমন আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। তারপরও প্রত্যেক বাড়ীতে একটি বা তারও বেশী আম ও কাঁঠালের গাছ লক্ষ্য করা গেছে ফলনও ভাল কিন্তু সঠিক পরিচর্যার অভাবে ঠিকমত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না।