ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

‘স্কোয়াশ’ চাষে লাভবান কিশোরগঞ্জের চাষীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯
  • ৩৭৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে সফল হয়েছেন কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা। এবারে ঔষধি গুন সম্পন্ন পুষ্টিগুনে ভরা আঁশ জাতীয় এই সবজি চাষে অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়ায় আগ্রহী হচ্ছেন অন্যরা।

কিশোরগঞ্জের পাকন্দিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। ৫ একর জমিতে ফুল ও ফলে ভরে গেছে ক্ষেত। এক থেকে দেড় ফুট লম্বা স্কোয়াশ বাজারে তোলা যায় ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে।

প্রতি বিঘায় ফলে শতাধিক মন স্কোয়াশ। চাষীরা বলেন, স্কোয়াশ চাষে মিষ্টি কুমড়া, লাউ র থেকে ভালো লাভ হয়। স্কোয়াশ দেখতে অনেকটা কাঁচা বাঙ্গি বা বড় শসার মতো। আর স্বাদ মিষ্টি লাউয়ের মতো। ফলনশীল এই স্কোয়াশ গাছ ২/৩ ফুট উঁচু হয়। একেকটি গাছ থেকে ১০-১৫টি স্কোয়াশ সংগ্রহ করা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান বলেন, আমরা নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের সহায়তা করছি। প্রচার ও বাজারজাতকরনে সুবিধা থাকলে স্কোয়াশ চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

‘স্কোয়াশ’ চাষে লাভবান কিশোরগঞ্জের চাষীরা

আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে সফল হয়েছেন কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা। এবারে ঔষধি গুন সম্পন্ন পুষ্টিগুনে ভরা আঁশ জাতীয় এই সবজি চাষে অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়ায় আগ্রহী হচ্ছেন অন্যরা।

কিশোরগঞ্জের পাকন্দিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। ৫ একর জমিতে ফুল ও ফলে ভরে গেছে ক্ষেত। এক থেকে দেড় ফুট লম্বা স্কোয়াশ বাজারে তোলা যায় ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে।

প্রতি বিঘায় ফলে শতাধিক মন স্কোয়াশ। চাষীরা বলেন, স্কোয়াশ চাষে মিষ্টি কুমড়া, লাউ র থেকে ভালো লাভ হয়। স্কোয়াশ দেখতে অনেকটা কাঁচা বাঙ্গি বা বড় শসার মতো। আর স্বাদ মিষ্টি লাউয়ের মতো। ফলনশীল এই স্কোয়াশ গাছ ২/৩ ফুট উঁচু হয়। একেকটি গাছ থেকে ১০-১৫টি স্কোয়াশ সংগ্রহ করা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান বলেন, আমরা নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের সহায়তা করছি। প্রচার ও বাজারজাতকরনে সুবিধা থাকলে স্কোয়াশ চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।