ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘স্কোয়াশ’ চাষে লাভবান কিশোরগঞ্জের চাষীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯
  • ৩৯০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে সফল হয়েছেন কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা। এবারে ঔষধি গুন সম্পন্ন পুষ্টিগুনে ভরা আঁশ জাতীয় এই সবজি চাষে অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়ায় আগ্রহী হচ্ছেন অন্যরা।

কিশোরগঞ্জের পাকন্দিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। ৫ একর জমিতে ফুল ও ফলে ভরে গেছে ক্ষেত। এক থেকে দেড় ফুট লম্বা স্কোয়াশ বাজারে তোলা যায় ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে।

প্রতি বিঘায় ফলে শতাধিক মন স্কোয়াশ। চাষীরা বলেন, স্কোয়াশ চাষে মিষ্টি কুমড়া, লাউ র থেকে ভালো লাভ হয়। স্কোয়াশ দেখতে অনেকটা কাঁচা বাঙ্গি বা বড় শসার মতো। আর স্বাদ মিষ্টি লাউয়ের মতো। ফলনশীল এই স্কোয়াশ গাছ ২/৩ ফুট উঁচু হয়। একেকটি গাছ থেকে ১০-১৫টি স্কোয়াশ সংগ্রহ করা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান বলেন, আমরা নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের সহায়তা করছি। প্রচার ও বাজারজাতকরনে সুবিধা থাকলে স্কোয়াশ চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্কোয়াশ’ চাষে লাভবান কিশোরগঞ্জের চাষীরা

আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে সফল হয়েছেন কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা। এবারে ঔষধি গুন সম্পন্ন পুষ্টিগুনে ভরা আঁশ জাতীয় এই সবজি চাষে অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়ায় আগ্রহী হচ্ছেন অন্যরা।

কিশোরগঞ্জের পাকন্দিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। ৫ একর জমিতে ফুল ও ফলে ভরে গেছে ক্ষেত। এক থেকে দেড় ফুট লম্বা স্কোয়াশ বাজারে তোলা যায় ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে।

প্রতি বিঘায় ফলে শতাধিক মন স্কোয়াশ। চাষীরা বলেন, স্কোয়াশ চাষে মিষ্টি কুমড়া, লাউ র থেকে ভালো লাভ হয়। স্কোয়াশ দেখতে অনেকটা কাঁচা বাঙ্গি বা বড় শসার মতো। আর স্বাদ মিষ্টি লাউয়ের মতো। ফলনশীল এই স্কোয়াশ গাছ ২/৩ ফুট উঁচু হয়। একেকটি গাছ থেকে ১০-১৫টি স্কোয়াশ সংগ্রহ করা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান বলেন, আমরা নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের সহায়তা করছি। প্রচার ও বাজারজাতকরনে সুবিধা থাকলে স্কোয়াশ চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।