ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

সাড়ে ৪ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ-সার দেবে সরকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯
  • ৩৬১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০১৯-২০ মৌসুমে উফশী (উচ্চ ফলনশীল) আউশ আবাদ বাড়ানোর লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের জন্য প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। এবার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় চার লাখ ৫৯ হাজার ২২৬ জন কৃষককে এ সহায়তা দেয়া হবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে ৪০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, এ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় একজন কৃষক সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১৫ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, পরিবহন ব্যয় বাবদ ৯০ টাকা ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ ২০ টাকাসহ ৮৭৫ টাকা পাবেন। বর্তমান মৌসুমে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪১২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ হাজার ৩৫৪.৮ হেক্টর জমিতে প্রণোদনা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হবে। এর আওতায় চাল উৎপাদন হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫২ টন যার মূল্য ৫৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪০ টাকা।

খড় উৎপাদন হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৩ টন যার মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৬ টাকা। চাল ও খড় মিলয়ে আয় হবে ৬০৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯৪৫ টাকা। কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি সাধন করেছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন এবং কৃষির প্রসারে বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবন, উফশী জাত ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রবর্তন করেছে। আউশ ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আবাদের এলাকা বৃদ্ধি ও পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা, কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তোলা এবং একই সঙ্গে উচ্চফলনশীল জাতের আউশ ধান আবাদ বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আশা প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও বরেন্দ্র এলাকায় যেখানে সেচ সুবিধা নাই সেখানে বোরো আবাদ ব্যাহত হয় এবং এই সমস্ত এলাকায় বোরোর পরিবর্তে আউশ আবাদ উৎসাহিত করতে আউশ নির্ভর জেলাসমূহে উচ্চ ফলনশীল আউশের জাত অধিক জনপ্রিয় করতে সরকার এ প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

সাড়ে ৪ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ-সার দেবে সরকার

আপডেট টাইম : ০৫:০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০১৯-২০ মৌসুমে উফশী (উচ্চ ফলনশীল) আউশ আবাদ বাড়ানোর লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের জন্য প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। এবার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় চার লাখ ৫৯ হাজার ২২৬ জন কৃষককে এ সহায়তা দেয়া হবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে ৪০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, এ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় একজন কৃষক সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১৫ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, পরিবহন ব্যয় বাবদ ৯০ টাকা ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ ২০ টাকাসহ ৮৭৫ টাকা পাবেন। বর্তমান মৌসুমে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪১২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ হাজার ৩৫৪.৮ হেক্টর জমিতে প্রণোদনা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হবে। এর আওতায় চাল উৎপাদন হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫২ টন যার মূল্য ৫৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪০ টাকা।

খড় উৎপাদন হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৩ টন যার মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৬ টাকা। চাল ও খড় মিলয়ে আয় হবে ৬০৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯৪৫ টাকা। কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি সাধন করেছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন এবং কৃষির প্রসারে বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবন, উফশী জাত ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রবর্তন করেছে। আউশ ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আবাদের এলাকা বৃদ্ধি ও পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা, কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তোলা এবং একই সঙ্গে উচ্চফলনশীল জাতের আউশ ধান আবাদ বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আশা প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও বরেন্দ্র এলাকায় যেখানে সেচ সুবিধা নাই সেখানে বোরো আবাদ ব্যাহত হয় এবং এই সমস্ত এলাকায় বোরোর পরিবর্তে আউশ আবাদ উৎসাহিত করতে আউশ নির্ভর জেলাসমূহে উচ্চ ফলনশীল আউশের জাত অধিক জনপ্রিয় করতে সরকার এ প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।