ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫
  • ৩৯৬ বার

ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন রোধ করতে ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এক ভয়ঙ্কর পদ্ধতি প্রয়োগ করে কন্যা সন্তানদের স্তনের বৃদ্ধি ঠেকানো হচ্ছে। গরম পাথর, হাতুড়ি আর চামচ গরম করে এক অভিনব নিষ্ঠুর পদ্ধতিতে মেয়েদের স্তনকে বুকের সাথে লাগানো বা চ্যাপ্টা করার জন্য এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

ডেইলি মেইল অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
১১ থেকে ১৫ বছরের মেয়েদের ওপর এই পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা হয় বেশি। অল্প বয়সে গর্ভধারণ রোধ এবং ছেলেরা যেন মেয়েদের প্রতি কম আকৃষ্ট হয় এর জন্য এ নিষ্ঠুর পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, সারা বিশ্বের প্রায় ৩৮ লাখ অল্পবয়সী মেয়েদের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। ৫৮ শতাংশ মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের মায়েরাই এই নিষ্ঠুর কাজটি করছেন।

প্রক্রিয়াটি হচ্ছে, কয়লার চুলায় একটি বড় পাথর, একটি হাতুড়ি ও একটি চামচ গরম করা হয়। তারপর সেগুলো দিয়ে বুকের দুই পাশে ‘ছ্যাঁকা’ দেয়া হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্তনগুলোকে সংকুচিত করা হয়। যাতে তাদের মধ্যে ‘মেয়েলি’ ভাবটা কম ফুটে ওঠে।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
জনস্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৮ শতাংশ মা তাদের কন্যা সন্তানদের ওপর এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
ক্যামেরুনের ধনী পরিবারের মেয়ে হলে অবশ্যই এ পদ্ধতির পরিবর্তন হয়। তখন তারা তাদের মেয়েদের এক ধরনের টাইট বেল্ট পরান, যা বুকের স্তন বেড়ে উঠতে বাধা দেয়।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
লন্ডনভিত্তিক দাতব্য সংগঠন নারী ও কন্যা শিশু উন্নয়ন সংস্থা স্তন বৃদ্ধি ঠেকানোর এই ভয়ঙ্কর ও অবৈধ পদ্ধতি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতে যুক্তরাজ্য ও ক্যামেরুনে পুলিশ, স্বাস্থ্য সংস্থা এবং স্কুলে প্রচারাভিযান চালাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি

আপডেট টাইম : ১২:০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন রোধ করতে ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এক ভয়ঙ্কর পদ্ধতি প্রয়োগ করে কন্যা সন্তানদের স্তনের বৃদ্ধি ঠেকানো হচ্ছে। গরম পাথর, হাতুড়ি আর চামচ গরম করে এক অভিনব নিষ্ঠুর পদ্ধতিতে মেয়েদের স্তনকে বুকের সাথে লাগানো বা চ্যাপ্টা করার জন্য এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

ডেইলি মেইল অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
১১ থেকে ১৫ বছরের মেয়েদের ওপর এই পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা হয় বেশি। অল্প বয়সে গর্ভধারণ রোধ এবং ছেলেরা যেন মেয়েদের প্রতি কম আকৃষ্ট হয় এর জন্য এ নিষ্ঠুর পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, সারা বিশ্বের প্রায় ৩৮ লাখ অল্পবয়সী মেয়েদের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। ৫৮ শতাংশ মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের মায়েরাই এই নিষ্ঠুর কাজটি করছেন।

প্রক্রিয়াটি হচ্ছে, কয়লার চুলায় একটি বড় পাথর, একটি হাতুড়ি ও একটি চামচ গরম করা হয়। তারপর সেগুলো দিয়ে বুকের দুই পাশে ‘ছ্যাঁকা’ দেয়া হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্তনগুলোকে সংকুচিত করা হয়। যাতে তাদের মধ্যে ‘মেয়েলি’ ভাবটা কম ফুটে ওঠে।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
জনস্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৮ শতাংশ মা তাদের কন্যা সন্তানদের ওপর এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
ক্যামেরুনের ধনী পরিবারের মেয়ে হলে অবশ্যই এ পদ্ধতির পরিবর্তন হয়। তখন তারা তাদের মেয়েদের এক ধরনের টাইট বেল্ট পরান, যা বুকের স্তন বেড়ে উঠতে বাধা দেয়।

ধর্ষণ ঠেকাতে ভয়ঙ্কর পদ্ধতি!
লন্ডনভিত্তিক দাতব্য সংগঠন নারী ও কন্যা শিশু উন্নয়ন সংস্থা স্তন বৃদ্ধি ঠেকানোর এই ভয়ঙ্কর ও অবৈধ পদ্ধতি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতে যুক্তরাজ্য ও ক্যামেরুনে পুলিশ, স্বাস্থ্য সংস্থা এবং স্কুলে প্রচারাভিযান চালাচ্ছে।