ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

ডায়াবেটিস নিরাময়ে নিমের উপকারিতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮
  • ৪২৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার একটি পরিসংখানে দেখা যায় বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ডায়াবেটিসে ১৬ লাখ লোকের মৃত্যু হয়। গবেষণায় বলা হয় ২০৩০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিস সারা বিশ্বে মরণব্যাধি রোগের মধ্যে সপ্তম স্থানে জায়গা নেবে।

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী বিপাকীয় রোগ যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এর ফলে হৃদযন্ত্র, রক্তনালী, চোখ, কিডনি ও স্নায়ুর গুরুতর ক্ষতি হয়। চিনিযুক্ত খাবার, উচ্চ শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

সচেতনতা ও সঠিক খাদ্যভাসের মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ডায়াবেটিস রোগ নিরাময়ে নিম গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিম উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। প্রাচীনকাল থেকে ভারতীয় ও চীনা ওষুধের অবিচ্ছেদ্য উপকরণ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে নিম। নিম গাছের প্রায় সব অংশ যেমন পাতা, ফুল, বীজ, ফল, শিকড় ও বাকল বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, নিম এন্টিসেপ্টিক হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রন রাখার জন্য চিকিৎসকরা প্রায় ডায়াবেটিস রোগীদের তিক্ত খাবার সুপারিশ করা হয়ে থাকে। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস নিমের রস পান করা যেতে পারে। চাইলে ৮ থেকে ১০টি নিমের পাতা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ৫ মিনিটের জন্য আধা লিটার পানিতে নিমপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে তা পান করা যেতে পারে। এভাবে এটি সংরক্ষণ করে দিনে দুইবার পান করা যাবে।

নিম পাতায় রয়েছে ফ্লেভোনয়েড, ট্রাইটিপনোয়েড, অ্যান্টি-ভাইরাল যৌগ এবং গ্লাইকোসাইড যা রক্তে শর্করার মাত্রার কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ডায়াবেটিস নিরাময়ে নিমের উপকারিতা

আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার একটি পরিসংখানে দেখা যায় বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ডায়াবেটিসে ১৬ লাখ লোকের মৃত্যু হয়। গবেষণায় বলা হয় ২০৩০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিস সারা বিশ্বে মরণব্যাধি রোগের মধ্যে সপ্তম স্থানে জায়গা নেবে।

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী বিপাকীয় রোগ যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এর ফলে হৃদযন্ত্র, রক্তনালী, চোখ, কিডনি ও স্নায়ুর গুরুতর ক্ষতি হয়। চিনিযুক্ত খাবার, উচ্চ শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

সচেতনতা ও সঠিক খাদ্যভাসের মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ডায়াবেটিস রোগ নিরাময়ে নিম গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিম উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। প্রাচীনকাল থেকে ভারতীয় ও চীনা ওষুধের অবিচ্ছেদ্য উপকরণ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে নিম। নিম গাছের প্রায় সব অংশ যেমন পাতা, ফুল, বীজ, ফল, শিকড় ও বাকল বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, নিম এন্টিসেপ্টিক হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রন রাখার জন্য চিকিৎসকরা প্রায় ডায়াবেটিস রোগীদের তিক্ত খাবার সুপারিশ করা হয়ে থাকে। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস নিমের রস পান করা যেতে পারে। চাইলে ৮ থেকে ১০টি নিমের পাতা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ৫ মিনিটের জন্য আধা লিটার পানিতে নিমপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে তা পান করা যেতে পারে। এভাবে এটি সংরক্ষণ করে দিনে দুইবার পান করা যাবে।

নিম পাতায় রয়েছে ফ্লেভোনয়েড, ট্রাইটিপনোয়েড, অ্যান্টি-ভাইরাল যৌগ এবং গ্লাইকোসাইড যা রক্তে শর্করার মাত্রার কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।