ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

মরিচের ঝাঁঝে ধ্বংস হবে ক্যান্সার, দাবি গবেষকদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৩৬৮ বার

শিরোনাম দেখে যে কেউই অবাক হতে পারেন। কিন্তু ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে মরিচের কার্যকারিতা খুঁজে পেয়েছেন ভারতীয় এক দল গবেষক। দেশটির চেন্নাইয়ে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য দায়ী কোষগুলো ধ্বংসে ভূমিকা রাখায় সক্ষম মরিচের ঝাল উৎপন্নকারী উপাদানগুলো।

বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় দেখা যায়, মরিচের ঝাল সৃষ্টিকারী উপাদান ক্যাপসাইসিন ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর সুফল পেতে গেলে তা গ্রহণ করতে হবে ইনজেকশন বা পিলের সাহায্যে।

দুই বিশেষজ্ঞ গবেষক অশোক কুমার মিশ্র ও জিতেন্দ্রীয় স্বয়াইন পরীক্ষ করে দেখতে পেয়েছেন, উচ্চমাত্রায় ক্যাপসাইসিন গ্রহণ করা হলে তা ক্যান্সার কোষের ঝিল্লিগুলোকে (মেমব্রেন) আলাদা করে দেয়ার মাধ্যমে আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করে দেয়।

প্রায় ১০ বছর আগের এক গবেষণায় দেখা যায়, ইঁদুরের শরীরের স্বাভাবিক কোষের কোনো ক্ষতি না করেই ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম ক্যাপসাইসিন। কিন্তু মানুষের শরীরে এর প্রভাব তৈরি করতে হলে প্রতিদিন তা খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

ভবিষ্যতে নতুন ধরনের ওষুধ তৈরিতে ক্যাপসাইসিনের ভূমিকা ও কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্যই এ গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যাপসাইসিনের প্রাকৃতিক গুণাবলি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা কোষ ঝিল্লির ওপর এর প্রভাব বের করতে সক্ষম হন।

গবেষণায় দেখা যায়, ক্যাপসাইসিন গ্রহণের পর তা কোষের উপরিভাগের কাছাকাছি এসে জমা হতে থাকে। যথেষ্ট পরিমাণে জমা হলে একসময় তা আক্রান্ত কোষ ঝিল্লিগুলোকে (কোষের ওপর পাতলা আবরণ) আলাদা করে ফেলে। ফলে আক্রান্ত কোষ ধ্বংস হয়ে যায়। গবেষণার ফলাফল ছাপা হয়েছে জার্নাল অব ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

মরিচের ঝাঁঝে ধ্বংস হবে ক্যান্সার, দাবি গবেষকদের

আপডেট টাইম : ১০:১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

শিরোনাম দেখে যে কেউই অবাক হতে পারেন। কিন্তু ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে মরিচের কার্যকারিতা খুঁজে পেয়েছেন ভারতীয় এক দল গবেষক। দেশটির চেন্নাইয়ে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য দায়ী কোষগুলো ধ্বংসে ভূমিকা রাখায় সক্ষম মরিচের ঝাল উৎপন্নকারী উপাদানগুলো।

বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় দেখা যায়, মরিচের ঝাল সৃষ্টিকারী উপাদান ক্যাপসাইসিন ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর সুফল পেতে গেলে তা গ্রহণ করতে হবে ইনজেকশন বা পিলের সাহায্যে।

দুই বিশেষজ্ঞ গবেষক অশোক কুমার মিশ্র ও জিতেন্দ্রীয় স্বয়াইন পরীক্ষ করে দেখতে পেয়েছেন, উচ্চমাত্রায় ক্যাপসাইসিন গ্রহণ করা হলে তা ক্যান্সার কোষের ঝিল্লিগুলোকে (মেমব্রেন) আলাদা করে দেয়ার মাধ্যমে আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করে দেয়।

প্রায় ১০ বছর আগের এক গবেষণায় দেখা যায়, ইঁদুরের শরীরের স্বাভাবিক কোষের কোনো ক্ষতি না করেই ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম ক্যাপসাইসিন। কিন্তু মানুষের শরীরে এর প্রভাব তৈরি করতে হলে প্রতিদিন তা খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

ভবিষ্যতে নতুন ধরনের ওষুধ তৈরিতে ক্যাপসাইসিনের ভূমিকা ও কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্যই এ গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যাপসাইসিনের প্রাকৃতিক গুণাবলি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা কোষ ঝিল্লির ওপর এর প্রভাব বের করতে সক্ষম হন।

গবেষণায় দেখা যায়, ক্যাপসাইসিন গ্রহণের পর তা কোষের উপরিভাগের কাছাকাছি এসে জমা হতে থাকে। যথেষ্ট পরিমাণে জমা হলে একসময় তা আক্রান্ত কোষ ঝিল্লিগুলোকে (কোষের ওপর পাতলা আবরণ) আলাদা করে ফেলে। ফলে আক্রান্ত কোষ ধ্বংস হয়ে যায়। গবেষণার ফলাফল ছাপা হয়েছে জার্নাল অব ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রিতে।