চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর শেষ হচ্ছে হাতে লেখা পাসপোর্টের কার্যকারিতা। এরপর থেকে কেউ মেশিন রিডেবল পাসপার্ট (এমআরপি) ছাড়া বিদেশে যেতে কিংবা অবস্থান করতে পারবেন না। এদিকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) এখনও হাতে পাননি কয়েক লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশী। আর এ নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন প্রবাসীরা। এ সময়ের মধ্যে এমআরপি হাতে না পেলে চাকরি হারানোর ঝুঁকিসহ আইনি ঝামেলায় পড়বেন এসব প্রবাসী শ্রমিক।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরতদের হাতে এমআরপি পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) কাজ করছে মালয়েশীয় আউট সোর্সিং প্রতিষ্ঠান আইআরআইএসকে।
মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের ফাস্ট সেক্রেটারি এমএসকে শাহীন দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রবাসীদের হাতে দ্রুত এমআরপি পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে হাই কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আবেদনের জন্য আগতদের কাউকে ফেরত না পাঠিয়ে একদিনের মধ্যেই বার্থ সার্টিফিকেট, ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ছবি তোলার কাজ শেষ করছি। এক মাসের মধ্যে তা গ্রাহকের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
নভেম্বরের মধ্যে সকলের কাছে এমআরপি পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে হাই কমিশন এলাকা ভিত্তিক মোবাইল ইউনিট পরিচালনা করবে। এতে প্রতিদিন কমপক্ষে দুই হাজার এমআরপি পাসপোর্টের কাজ করা যাবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জনবল ও মেশিনারিজ সময়মত পেলে সক্ষমতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ লক্ষ্য অর্জনের জন্য তারা চেষ্টা করবেন বলেও জানান বাংলাদেশ হাই কমিশনের এ সিনিয়র কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইকাও) নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরের ২৪ নভেম্বরের পর থেকে হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে ভ্রমণ কিংবা অবস্থান করা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে এমআরপি বিতরণ করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইকাওয়ের কাছে হাতে লেখা পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৮ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হলেও তা নাকচ করেছে সংস্থাটি। আবেদন নাকচ করে আইকাও জানায়, এ বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই।