ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পবিত্র কোরআনই শান্তির একমাত্র ঠিকানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭
  • ৪০৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা এ প্রসঙ্গে ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের জন্য রাসূল (সা.)-এর আদর্শই সর্বোত্তম আদর্শ। সারা বিশ্বে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব যুগের সব মানুষের সেরা মানুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.)।সারা দুনিয়ার সবচে’ আলোচিত উচ্চারিত নাম হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কেমন ছিলেন? এ বিষয়ে জানার আগ্রহ প্রত্যেক মুসলমানের রয়েছে। বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনায় এসেছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সুন্দর আকৃতি বিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মাথা ছিল বড় আকৃতির, দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদদ্বয় ছিল মাংসল, উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, চুল ছিল সরল, গণ্ডদ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন, মনে হতো যেন উঁচু স্থান থেকে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোনো দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হতো সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুওয়তের মোহর ছিল- অর্থাৎ সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত, সবদিকে অতুলনীয়। আল্লাহতায়ালা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্র সর্ম্পকে বলেন, ‘এবং নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।’ -সূরা কালাম: ৪০

আল্লাহতায়ালা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ সর্ম্পকে বলেন, ‘যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মাঝে উত্তম নমুনা রয়েছে। -সূরা আহজাব: ২১

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সর্বাপেক্ষা তাকওয়া অবলম্বনকারী ছিলেন। তিনি গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করতেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ সম্পর্কে আমি তোমাদের চেয়ে বেশি অবগত এবং আল্লাহকে আমি তোমাদের চেয়ে বেশি ভয় করি। স্বয়ং সাহাবায়ে কেরাম এ কথার সমর্থনে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

হজরত আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) বলেন, আমরা গণনা করে দেখতাম হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এক মজলিসে একশ’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

পবিত্র কোরআনই শান্তির একমাত্র ঠিকানা

আপডেট টাইম : ০৯:১৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা এ প্রসঙ্গে ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের জন্য রাসূল (সা.)-এর আদর্শই সর্বোত্তম আদর্শ। সারা বিশ্বে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব যুগের সব মানুষের সেরা মানুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.)।সারা দুনিয়ার সবচে’ আলোচিত উচ্চারিত নাম হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কেমন ছিলেন? এ বিষয়ে জানার আগ্রহ প্রত্যেক মুসলমানের রয়েছে। বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনায় এসেছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সুন্দর আকৃতি বিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মাথা ছিল বড় আকৃতির, দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদদ্বয় ছিল মাংসল, উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, চুল ছিল সরল, গণ্ডদ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন, মনে হতো যেন উঁচু স্থান থেকে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোনো দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হতো সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুওয়তের মোহর ছিল- অর্থাৎ সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত, সবদিকে অতুলনীয়। আল্লাহতায়ালা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্র সর্ম্পকে বলেন, ‘এবং নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।’ -সূরা কালাম: ৪০

আল্লাহতায়ালা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ সর্ম্পকে বলেন, ‘যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মাঝে উত্তম নমুনা রয়েছে। -সূরা আহজাব: ২১

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সর্বাপেক্ষা তাকওয়া অবলম্বনকারী ছিলেন। তিনি গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করতেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ সম্পর্কে আমি তোমাদের চেয়ে বেশি অবগত এবং আল্লাহকে আমি তোমাদের চেয়ে বেশি ভয় করি। স্বয়ং সাহাবায়ে কেরাম এ কথার সমর্থনে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

হজরত আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) বলেন, আমরা গণনা করে দেখতাম হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এক মজলিসে একশ’