ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

যে কারণে রেকর্ড ভাঙ্গা যাবে না ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ বাংলা চলচ্চিত্রে বক্স অফিস কাঁপানো ছবি। এই ছবির রেকর্ড ভাঙ্গার গল্প কয়েক বছর ধরে দর্শক শুনেছেন। এই ছবির রেকর্ড ভাঙ্গাতো দুরে থাক, এখনো পর্যন্ত কোনো ছবি ১০ কোটি টাকা আয় করেনি। যেখানে ছবিটি ব্যবসা সফল হয়েছে ২০ কোটি টাকা। নানান বিচার এবং বিশ্লেষনের মাধ্যমে বুঝা যায় ছবিটির রেকর্ড ভাঙ্গা সম্ভব না।

এটা ঠিক তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র একটা রেকর্ড ভাঙা সম্ভব। সেটা হলো সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে খুব বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে এমন না। কারণ কেউ ভাবেনি সিনেমাটি মারমার কাটকাট ব্যবসা করবে। ঢাকার বাইরের কিছু হলে মুক্তি পায়। তাই প্রথম সপ্তাহ হাউসফুল হলেও আয় অনেক বেশি হওয়ার কথা না। কিন্তু এরপর তো ইতিহাস।

আর ওই সময় দেশে হল ছিল ১২০০ এর বেশি। সব হলেই ঘুরে ঘুরে ইলয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ অভিনীত সিনেমাটি চলেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একাধিকবার চলেছে। বর্তমানে হল সংখ্য ৩০০ বা এর বেশি। আর সিনেমার লাইফটাইম কম হওয়ায় এ মাস পর হলে খুঁজে পাওলা দুষ্কর হয়ে পড়ে যদি না হিট হওয়ার সম্ভবনা থাকে। আর হাউসফুল হওয়া তো দূরের কথা।

বাংলাদেশে এখনো বক্স অফিস প্রথা গড়ে উঠেনি। তাই কোনো সিনেমার আসল আয় ও কতদিনে কত আয় করেছে তা বলা মুশকিল। কিন্তু ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র একটা প্রমাণ সহজেই দেওয়া যায়।

প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায়, ৬৭তম সপ্তাহে পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র বিজ্ঞাপন। সেখানে দেখা যায় অবিশ্বাস্য ঘটনা। কী ?

ঢাকায় ৬৭তম যৌথ সপ্তাহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছিল ১৯টি হলে। খুলনায় ৫৮তম যৌথ সপ্তাহ হিসেবে পায় ৩টি হল। যশোরে মনিহারে তখন টানা ১০তম সপ্তাহ চলছিল তখন, রাজশাহীর উপহারে ১৭তম সপ্তাহ ও সিলেটের অবকাশে ১৩তম সপ্তাহ। ১০ম সপ্তাহে চলছিল আরো ৯টি হলে। ৩য় সপ্তাহে আরো ৫টি ও দ্বিতীয় সপ্তাহে চলছিল চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্সে।

‘বেদের মেয়ে জোসনা’ মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। অর্থাৎ, তখন টাকার মান ছিল এখনকার চেয়ে বেশি, আবার মফস্বলে টিকিটের দাম খুব যে পরিবর্তিত হয়েছে এমনও না। এবার তবে হিসাব মেলান !

এছাড়া এ সিনেমার সবচেয়ে অভিনব ব্যাপার ছিল নানা স্তরের জনগণের সাড়া। বিশেষ করে নারী দর্শকদের আগ্রহ। পাশাপাশি এ সিনেমায় জনগণের মনস্তত্বের গভীর দিক প্রকাশ হয়েছিল- তা ফোক সিনেমা ছাড়া সাধারণত বোঝা যায় না। তাই সিনেমাটি আজো সিনে বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিতদের আগ্রহের খোরাক।

এটা ঠিক একটা বক্সবাস্টার সিনেমা ঘুরিয়ে দিতে পারে একটা ইন্ডাস্ট্রির চাকা। সে বিবেচনায় আসুক ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র রেকর্ড ভাঙা কোনো সিনেমা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

যে কারণে রেকর্ড ভাঙ্গা যাবে না ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র

আপডেট টাইম : ০৬:১২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ বাংলা চলচ্চিত্রে বক্স অফিস কাঁপানো ছবি। এই ছবির রেকর্ড ভাঙ্গার গল্প কয়েক বছর ধরে দর্শক শুনেছেন। এই ছবির রেকর্ড ভাঙ্গাতো দুরে থাক, এখনো পর্যন্ত কোনো ছবি ১০ কোটি টাকা আয় করেনি। যেখানে ছবিটি ব্যবসা সফল হয়েছে ২০ কোটি টাকা। নানান বিচার এবং বিশ্লেষনের মাধ্যমে বুঝা যায় ছবিটির রেকর্ড ভাঙ্গা সম্ভব না।

এটা ঠিক তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র একটা রেকর্ড ভাঙা সম্ভব। সেটা হলো সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে খুব বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে এমন না। কারণ কেউ ভাবেনি সিনেমাটি মারমার কাটকাট ব্যবসা করবে। ঢাকার বাইরের কিছু হলে মুক্তি পায়। তাই প্রথম সপ্তাহ হাউসফুল হলেও আয় অনেক বেশি হওয়ার কথা না। কিন্তু এরপর তো ইতিহাস।

আর ওই সময় দেশে হল ছিল ১২০০ এর বেশি। সব হলেই ঘুরে ঘুরে ইলয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ অভিনীত সিনেমাটি চলেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একাধিকবার চলেছে। বর্তমানে হল সংখ্য ৩০০ বা এর বেশি। আর সিনেমার লাইফটাইম কম হওয়ায় এ মাস পর হলে খুঁজে পাওলা দুষ্কর হয়ে পড়ে যদি না হিট হওয়ার সম্ভবনা থাকে। আর হাউসফুল হওয়া তো দূরের কথা।

বাংলাদেশে এখনো বক্স অফিস প্রথা গড়ে উঠেনি। তাই কোনো সিনেমার আসল আয় ও কতদিনে কত আয় করেছে তা বলা মুশকিল। কিন্তু ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র একটা প্রমাণ সহজেই দেওয়া যায়।

প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায়, ৬৭তম সপ্তাহে পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র বিজ্ঞাপন। সেখানে দেখা যায় অবিশ্বাস্য ঘটনা। কী ?

ঢাকায় ৬৭তম যৌথ সপ্তাহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছিল ১৯টি হলে। খুলনায় ৫৮তম যৌথ সপ্তাহ হিসেবে পায় ৩টি হল। যশোরে মনিহারে তখন টানা ১০তম সপ্তাহ চলছিল তখন, রাজশাহীর উপহারে ১৭তম সপ্তাহ ও সিলেটের অবকাশে ১৩তম সপ্তাহ। ১০ম সপ্তাহে চলছিল আরো ৯টি হলে। ৩য় সপ্তাহে আরো ৫টি ও দ্বিতীয় সপ্তাহে চলছিল চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্সে।

‘বেদের মেয়ে জোসনা’ মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। অর্থাৎ, তখন টাকার মান ছিল এখনকার চেয়ে বেশি, আবার মফস্বলে টিকিটের দাম খুব যে পরিবর্তিত হয়েছে এমনও না। এবার তবে হিসাব মেলান !

এছাড়া এ সিনেমার সবচেয়ে অভিনব ব্যাপার ছিল নানা স্তরের জনগণের সাড়া। বিশেষ করে নারী দর্শকদের আগ্রহ। পাশাপাশি এ সিনেমায় জনগণের মনস্তত্বের গভীর দিক প্রকাশ হয়েছিল- তা ফোক সিনেমা ছাড়া সাধারণত বোঝা যায় না। তাই সিনেমাটি আজো সিনে বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিতদের আগ্রহের খোরাক।

এটা ঠিক একটা বক্সবাস্টার সিনেমা ঘুরিয়ে দিতে পারে একটা ইন্ডাস্ট্রির চাকা। সে বিবেচনায় আসুক ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র রেকর্ড ভাঙা কোনো সিনেমা।