ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

মেঘালয় পুলিশ ছোট একটি কক্ষে আটক ছিলেন সালাহ উদ্দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০১৫
  • ৬২২ বার
সালাহ উদ্দিনকে অল্প সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে মেঘালয় পুলিশ। সোমবার গ্রেফতারের পর এই প্রথম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শিলং পুলিশ। আর তাতেই ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে সালাহ উদ্দিন রহস্য। শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শিলং পুলিশ জানান, সালাহ উদ্দিন দাবি করেছে ঢাকায় অপহরণের পর একটি ছোট ঘরে আটকে রাখা হয় তাকে। অপহরণকারীরা তাকে নিয়ে বেশ কয়েকদিন গাড়িতে ছিল বলেও জানায় সালাহ উদ্দিন। এ সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার গাড়ি পরিবর্তন করা হয় বলে শিলং পুলিশকে জানিয়েছে সালাহ উদ্দিন।
গ্রেফতার করার পর পুলিশ বলেছিল, এই বিএনপি নেতার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তার বিষয়ে পুলিশকে জানিয়েছিল। তবে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনিকে বলেছেন, তিনি নিজেই স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন। দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর সোমবার মেঘালয়ের শিলংয়ে গ্রেফতার হন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন।
তার সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার শিলংয়ে গেছেন আব্দুল লতিফ জনি। পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সালাহ উদ্দিনের বেশ কয়েকজন আত্মীয়ও শিলংয়ে পৌঁছেছেন। তার জন্য খাবার ও নতুন জামা-কাপড় নিয়ে গেছেন তারা।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন কর্মকর্তা বলেন, অপহৃত হওয়ার পরের ঘটনা নিয়ে কিছু মনে করতে পারছেন না বলে সালাহ উদ্দিন প্রথমে বলেছিলেন। তবে এখন তিনি বলছেন, প্রায় দুই মাসের মতো বাংলাদেশের কোথাও একটি বাড়ির এক ছোট কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে চোখ বেঁধে তাকে ওই ঘর থেকে বের করে গাড়িতে নিয়ে ঘোরানো হয় এবং অপহরণকারীরা বার বার গাড়ি বদলায়।
সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে ‘কিছু অসামঞ্জস্যতা’ পাওয়া যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বক্তব্য যাচাইয়ের জন্য তাকে আমাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
সালাহ উদ্দিনকে শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানোর কোনো ইঙ্গিত এখনো পায়নি মেঘালয় রাজ্য সরকার। আর তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা থাকায় শিগগিরি ভারত থেকে দেশে ফেরা হচ্ছে না এই বিএনপি নেতার।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি

মেঘালয় পুলিশ ছোট একটি কক্ষে আটক ছিলেন সালাহ উদ্দিন

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০১৫
সালাহ উদ্দিনকে অল্প সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে মেঘালয় পুলিশ। সোমবার গ্রেফতারের পর এই প্রথম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শিলং পুলিশ। আর তাতেই ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে সালাহ উদ্দিন রহস্য। শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শিলং পুলিশ জানান, সালাহ উদ্দিন দাবি করেছে ঢাকায় অপহরণের পর একটি ছোট ঘরে আটকে রাখা হয় তাকে। অপহরণকারীরা তাকে নিয়ে বেশ কয়েকদিন গাড়িতে ছিল বলেও জানায় সালাহ উদ্দিন। এ সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার গাড়ি পরিবর্তন করা হয় বলে শিলং পুলিশকে জানিয়েছে সালাহ উদ্দিন।
গ্রেফতার করার পর পুলিশ বলেছিল, এই বিএনপি নেতার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তার বিষয়ে পুলিশকে জানিয়েছিল। তবে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনিকে বলেছেন, তিনি নিজেই স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন। দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর সোমবার মেঘালয়ের শিলংয়ে গ্রেফতার হন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন।
তার সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার শিলংয়ে গেছেন আব্দুল লতিফ জনি। পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সালাহ উদ্দিনের বেশ কয়েকজন আত্মীয়ও শিলংয়ে পৌঁছেছেন। তার জন্য খাবার ও নতুন জামা-কাপড় নিয়ে গেছেন তারা।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন কর্মকর্তা বলেন, অপহৃত হওয়ার পরের ঘটনা নিয়ে কিছু মনে করতে পারছেন না বলে সালাহ উদ্দিন প্রথমে বলেছিলেন। তবে এখন তিনি বলছেন, প্রায় দুই মাসের মতো বাংলাদেশের কোথাও একটি বাড়ির এক ছোট কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে চোখ বেঁধে তাকে ওই ঘর থেকে বের করে গাড়িতে নিয়ে ঘোরানো হয় এবং অপহরণকারীরা বার বার গাড়ি বদলায়।
সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে ‘কিছু অসামঞ্জস্যতা’ পাওয়া যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বক্তব্য যাচাইয়ের জন্য তাকে আমাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
সালাহ উদ্দিনকে শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানোর কোনো ইঙ্গিত এখনো পায়নি মেঘালয় রাজ্য সরকার। আর তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা থাকায় শিগগিরি ভারত থেকে দেশে ফেরা হচ্ছে না এই বিএনপি নেতার।