ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদনে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মিঠামইনে ‘তাজুল’ ইস্যুতে প্রবাসীর স্ট্যাটাস ভাইরাল, এলাকায় তোলপাড় ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান পুলিশে বড় নিয়োগ, কোন জেলায় পদসংখ্যা কত জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ আসামির ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন ইহুদিদের জীবনে কিয়ামতের প্রলয়! তেল আবিব-জেরুজালেম জ্বালিয়ে দেওয়ার শপথ হিজবুল্লাহর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে বাণিজ্য ঘাটতি ৮ মাসে দুই লাখ কোটি টাকা অতিক্রম শ্রমিক নিয়োগে ‘জিরো কস্ট’ নীতি, মালয়েশিয়ার বাজারে ফিরছে বাংলাদেশ

নিলয়কে খুন করার পর নাহিয়ান রামদা ব্যাগে ভরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৫
  • ৪৩৬ বার

ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা। এমনটিই দাবি করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্টরা। শনিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এখন পর্যন্ত নিলয় হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন মাসুদ রানা, সাদ আল নাহিয়ান, কামাল হোসেন সরদার ও কাওসার হোসেন খান। এই চারজনের মধ্যে নিলয় হত্যাকান্ডে জড়িত সাদ আল নাহিয়ানকে ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাক্ষী দেখেছেন। নিলয়কে খুন করার পর নাহিয়ান রামদা ব্যাগে ভরে বাসার নিচে নেমে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সাক্ষীদের নাম বলতে রাজি হননি যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত বাকি তিনজনের ব্যাপারে ফরেনসিক পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিলয়ের ডিএনএ টেস্টের সঙ্গে আসামিদেরও ডিএনএ টেস্ট করা হবে। এরপর তা মিলিয়ে দেখা হবে। এমনকি নাহিয়ানেরও ডিএনএ টেস্ট করানো হবে। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ নিলয় হত্যায় যে পাঁচজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছিল, তাদের মধ্যে বাকি আরেকজনের খোঁজ করা হচ্ছে। তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।

প্রসঙ্গত, ৭ আগস্ট জুমার নামাজের সময় রাজধানীর খিলগাঁও থানার পূর্ব গোড়ান এলাকার ১৬৭ নম্বর বাসার পঞ্চম তলায় নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। হত্যার দায় স্বীকার করে আনসার আল ইসলাম নামের একটি জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজও পাঠানো হয় গণমাধ্যমগুলোতে।

এর কয়েক দিন পরই মিরপুরের কালশী থেকে মাসুদ রানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাদ আল নাহিয়ানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর ২৭ আগস্ট রাজধানী থেকে কাওসার ও কামাল হোসেন নামে আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দাদের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। আর মাসুদ রানা বাদে বাকি তিনজনই আরেক ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন হত্যাচেষ্টা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই তিনজন জামিনে ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদনে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিলয়কে খুন করার পর নাহিয়ান রামদা ব্যাগে ভরে

আপডেট টাইম : ০৯:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৫

ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা। এমনটিই দাবি করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্টরা। শনিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এখন পর্যন্ত নিলয় হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন মাসুদ রানা, সাদ আল নাহিয়ান, কামাল হোসেন সরদার ও কাওসার হোসেন খান। এই চারজনের মধ্যে নিলয় হত্যাকান্ডে জড়িত সাদ আল নাহিয়ানকে ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাক্ষী দেখেছেন। নিলয়কে খুন করার পর নাহিয়ান রামদা ব্যাগে ভরে বাসার নিচে নেমে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সাক্ষীদের নাম বলতে রাজি হননি যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত বাকি তিনজনের ব্যাপারে ফরেনসিক পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিলয়ের ডিএনএ টেস্টের সঙ্গে আসামিদেরও ডিএনএ টেস্ট করা হবে। এরপর তা মিলিয়ে দেখা হবে। এমনকি নাহিয়ানেরও ডিএনএ টেস্ট করানো হবে। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ নিলয় হত্যায় যে পাঁচজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছিল, তাদের মধ্যে বাকি আরেকজনের খোঁজ করা হচ্ছে। তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।

প্রসঙ্গত, ৭ আগস্ট জুমার নামাজের সময় রাজধানীর খিলগাঁও থানার পূর্ব গোড়ান এলাকার ১৬৭ নম্বর বাসার পঞ্চম তলায় নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। হত্যার দায় স্বীকার করে আনসার আল ইসলাম নামের একটি জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজও পাঠানো হয় গণমাধ্যমগুলোতে।

এর কয়েক দিন পরই মিরপুরের কালশী থেকে মাসুদ রানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাদ আল নাহিয়ানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর ২৭ আগস্ট রাজধানী থেকে কাওসার ও কামাল হোসেন নামে আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দাদের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। আর মাসুদ রানা বাদে বাকি তিনজনই আরেক ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন হত্যাচেষ্টা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই তিনজন জামিনে ছিলেন।