ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

শোয়েব আখতারের ভিন্নমত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৫
  • ৩৩১ বার

ভারত-পাকিস্তান সম্ভাব্য সিরিজ নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেন শোয়েব আখতার। এ বছরের ডিসেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি টেস্ট সিরিজের সম্ভাবনা বেশ আগ থেকেই। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডও সিরিজ আয়োজনে সম্মত হয়। কিন্তু গত মাসে ভারতের পাঞ্জাবে সন্ত্রাসী হামলার পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ভারত এ সিরিজ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব অনুরাগ ঠাকুর স্পষ্ট বলে দেন, ‘সন্ত্রাসী এবং ক্রিকেট একসঙ্গে চলতে পারে না। আপাতত পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো সিরিজের সম্ভাবনা নেই।’ ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিও একই সূরে কথা বলেন। পাক-ভারত সমান্ত সমস্যা সমাধান না হওয়ার আগে কোনো ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনঃগঠনের পক্ষে নন তিনি। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কমকর্তারা সম্ভাব্য এই সিরিজ আয়োজনের জন্য মরিয়া। তারা বারবার ভারতকে এই সম্ভাব্য এই সিরিজের জন্য উদ্বুদ্ধ করে চলছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কেউ কথা বলেন নি। ক্রিকেট এবং রাজনীতি এক নয় বলে তারা বারবার সিরিজ আয়োজনের কথা বলেছেন। ভারতে সন্ত্রাসী হামলা নিয়েও কেউ কথা বলেনি। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নিয়েও কারও মুখে কোনো কথা নেই। তবে এ বৃত্ত থেকে বের হয়ে এলেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার। তিনি আপাতত পাক-ভারত সিরিজ আয়োজনের পক্ষে নন। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা সমাধান করে তবেই সিরিজ আয়োজনের পক্ষে তিনি। এক্ষেত্রে পিসিবি’র কর্মকর্তাদের কথার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে ৪৬ টেস্ট ও ১৬৩ ওয়ানডে খেলা ৪০ বছর বয়সী শোয়েব বলেন, ‘সবাই জানে, রাজনীতি এবং খেলা এক নয়। সব সময় এই দুটোকে আলাদা রাখাই উচিৎ। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যÑ পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্ত সমস্যা এখন ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এটা নিয়ে অস্থিরতা চলছেই। তাই সীমান্ত সমস্যা জিইয়ে রেখে আমি দুই দেশের মধ্যে এখন টেস্ট সিরিজের পক্ষে নই। পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার জন্য আমি দুই দেশের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের সব সময় উদ্বুদ্ধ করি। তারা কথা বলে যদি সমস্যার সমাধান করেন তাহলে দারুণ ক্রিকেটের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।’ দুই দেশের ক্রীকেটীয় সম্পর্কের প্রয়োজনীতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখনও বিশ্বের সেরা দুই ক্রিকেট দল পাকিস্তান ও ভারতের। দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশ্বের বিরল ক্রিকেট-প্রতিভা এই দুই দেশষ থেকেই বের হয়েছে। তাই বিশ্বের মানুষ এখনও এই দুই দেশের ভাল ক্রিকেটীয় সম্পর্ক দেখতে চায়।’ শোয়েব আখতার এমন কথা বললওে পিসিবির প্রধান শাহরিয়ার খান এখানে রাজনীতি আনতে নারাজ। তিনি অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের মতামতের অপেক্ষায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন। এরপর না হলে আর সিরিজের অপেক্ষা করবেন না তার স্পষ্ঠ কথা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বর্তমান সভাপতি জহির আব্বাস পাকিস্তানকে প্রয়োজনে নমনীয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে বছরের শেষের দিকে পাকিস্তানকে ভারত সফরের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

শোয়েব আখতারের ভিন্নমত

আপডেট টাইম : ০৬:০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৫

ভারত-পাকিস্তান সম্ভাব্য সিরিজ নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেন শোয়েব আখতার। এ বছরের ডিসেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি টেস্ট সিরিজের সম্ভাবনা বেশ আগ থেকেই। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডও সিরিজ আয়োজনে সম্মত হয়। কিন্তু গত মাসে ভারতের পাঞ্জাবে সন্ত্রাসী হামলার পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ভারত এ সিরিজ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব অনুরাগ ঠাকুর স্পষ্ট বলে দেন, ‘সন্ত্রাসী এবং ক্রিকেট একসঙ্গে চলতে পারে না। আপাতত পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো সিরিজের সম্ভাবনা নেই।’ ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিও একই সূরে কথা বলেন। পাক-ভারত সমান্ত সমস্যা সমাধান না হওয়ার আগে কোনো ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনঃগঠনের পক্ষে নন তিনি। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কমকর্তারা সম্ভাব্য এই সিরিজ আয়োজনের জন্য মরিয়া। তারা বারবার ভারতকে এই সম্ভাব্য এই সিরিজের জন্য উদ্বুদ্ধ করে চলছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কেউ কথা বলেন নি। ক্রিকেট এবং রাজনীতি এক নয় বলে তারা বারবার সিরিজ আয়োজনের কথা বলেছেন। ভারতে সন্ত্রাসী হামলা নিয়েও কেউ কথা বলেনি। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নিয়েও কারও মুখে কোনো কথা নেই। তবে এ বৃত্ত থেকে বের হয়ে এলেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার। তিনি আপাতত পাক-ভারত সিরিজ আয়োজনের পক্ষে নন। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা সমাধান করে তবেই সিরিজ আয়োজনের পক্ষে তিনি। এক্ষেত্রে পিসিবি’র কর্মকর্তাদের কথার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে ৪৬ টেস্ট ও ১৬৩ ওয়ানডে খেলা ৪০ বছর বয়সী শোয়েব বলেন, ‘সবাই জানে, রাজনীতি এবং খেলা এক নয়। সব সময় এই দুটোকে আলাদা রাখাই উচিৎ। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যÑ পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্ত সমস্যা এখন ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এটা নিয়ে অস্থিরতা চলছেই। তাই সীমান্ত সমস্যা জিইয়ে রেখে আমি দুই দেশের মধ্যে এখন টেস্ট সিরিজের পক্ষে নই। পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার জন্য আমি দুই দেশের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের সব সময় উদ্বুদ্ধ করি। তারা কথা বলে যদি সমস্যার সমাধান করেন তাহলে দারুণ ক্রিকেটের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।’ দুই দেশের ক্রীকেটীয় সম্পর্কের প্রয়োজনীতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখনও বিশ্বের সেরা দুই ক্রিকেট দল পাকিস্তান ও ভারতের। দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশ্বের বিরল ক্রিকেট-প্রতিভা এই দুই দেশষ থেকেই বের হয়েছে। তাই বিশ্বের মানুষ এখনও এই দুই দেশের ভাল ক্রিকেটীয় সম্পর্ক দেখতে চায়।’ শোয়েব আখতার এমন কথা বললওে পিসিবির প্রধান শাহরিয়ার খান এখানে রাজনীতি আনতে নারাজ। তিনি অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের মতামতের অপেক্ষায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন। এরপর না হলে আর সিরিজের অপেক্ষা করবেন না তার স্পষ্ঠ কথা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বর্তমান সভাপতি জহির আব্বাস পাকিস্তানকে প্রয়োজনে নমনীয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে বছরের শেষের দিকে পাকিস্তানকে ভারত সফরের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।