ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো পলক-জ্যোতিকে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১০৪ বার

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করলে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি আসামি পলকের পক্ষে জামিন আবেদন করেন। দুদক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ জানুয়ারি পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন। আর জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ। ওইদিন আদালত তাদের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ৬ জানুয়ারি ধার্য করেন।

পলকের আবেদনে বলা হয়, আসামি পলক যাত্রাবাড়ি থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজতে অন্তরীণ আছেন। তিনি সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১ এর মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। জেল হাজতে অন্তরীণ এজাহারনামীয় এ আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান একান্ত প্রয়োজন।

জ্যোতির আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার বাবা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগ দখলে রাখা এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে নিজ এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রুপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো পলক-জ্যোতিকে

আপডেট টাইম : ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করলে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি আসামি পলকের পক্ষে জামিন আবেদন করেন। দুদক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ জানুয়ারি পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন। আর জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ। ওইদিন আদালত তাদের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ৬ জানুয়ারি ধার্য করেন।

পলকের আবেদনে বলা হয়, আসামি পলক যাত্রাবাড়ি থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজতে অন্তরীণ আছেন। তিনি সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১ এর মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। জেল হাজতে অন্তরীণ এজাহারনামীয় এ আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান একান্ত প্রয়োজন।

জ্যোতির আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার বাবা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগ দখলে রাখা এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে নিজ এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রুপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন।