হাওর বার্তা ডেস্কঃ ক্লিনিক্যাল রিসার্চের ওপর ভিত্তি করে ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি প্রদানের জন্য কয়েকটা সিআরও (কন্ট্রাক্ট রিসার্চ অরগানাইজেশন) অনুমোদন প্রয়োজন। ভালো ভালো কোম্পানির ওষুধ রপ্তানির জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে পরীক্ষা করিয়ে আনতে হয়। যদি দেশেই পরীক্ষা করা যায় তবে ওষুধ রপ্তানি করে বিপুল অঙ্কের টাকা আয় সম্ভব হবে।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে ‘জাতীয় ওষুধ নীতি-২০১৬ বাস্তবায়ন কৌশল’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় দেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ উৎপাদনকালী প্রতিষ্ঠান ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোকতাদির এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকারিভাবে সর্বাত্মক সহায়তা পেলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের এক নম্বর ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ হবে।
বাংলাদেশের মানুষ প্রচণ্ড দেশপ্রেমিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে স্থান লাভ করার মতো সম্ভাবনা বাংলাদেশের রয়েছে। তবে সেক্টরকে শীর্ষস্থান লাভ করতে ওষুধ শিল্প সমিতির পাশাপাশি ডাক্তারসহ সরকারি সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সহায়তা প্রয়োজন।
আবদুল মোকতাদির আরো বলেন, ইউরোপের কয়েকটা দেশ, আমেরিকা, জাপানসহ হাতেগোনা কয়েকটা দেশ ছাড়া ওষুধের কারিগরি গুণের দিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অগ্রগতি ইর্ষণীয়।
Reporter Name 
























