ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

টমেটোর চাষ ফলন দেয় বারোমাস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭
  • ৪৬২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অধিক লাভের ফসল হিসেবে যশোরের শার্শ-বেনাপোলে বাড়ছে সামারকিং টমেটোর চাষ। এ টমেটো চাষে সুদিন ফিরছে চাষিদের। প্রতি বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষে খরচ হয় ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। ফলন হয় ৭০ থেকে ৮০ মণ। আর দাম পাওয়া যায় ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা। বারো মাস চাষ ও ফলন পাওয়া যায় বলে এ টমেটো চাষে আগ্রহ বাড়ছে এ এলাকার চাষিদের।

কৃষিপ্রধান এলাকা শার্শা-বেনাপোলে অধিক লাভের ফলন হিসেবে সামারকিং টমেটোর চাষ বাড়ছে। সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরা এ টমেটোর স্থানীয় বাজারে কদরও রয়েছে ভালো। কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চারা রোপণের ২ মাসের মধ্যে ফলন দেয় সামারকিং টমেটো। একবার চারা রোপণ করলে একাধারে ৫ বছর ফলন পাওয়া যায় এ টমেটোর। সব মৌসুমেই করা যায় চাষ, আর ফলন হয় বারো মাস। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কৃষক আরও জানান, দেশি টমেটোতে দ্রুত পচন ধরে ও নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এ জাতের টমেটো নষ্ট হয় দেরিতে। ফলে চাষি ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন কম। সব মিলিয়ে এ টমেটো চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। আর এ টমেটো চাষ করেই অনেক চাষির সংসারে ফিরেছে সুদিন।

লক্ষ্মণপুর গ্রামের টমেটো চাষি শাহজাহার আলী ও ইসমাইল হোসেন জানান, সবসময় বাজারে পাওয়া যায় সামারকিং টমেটো। এর চাহিদাও রয়েছে। ফলে এ টমেটো চাষ করে লাভবান হচ্ছেন তারা। ১ বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষ করতে খরচ হয় ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করা যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে এ টমেটো ভারত থেকে আমদানি করা হতো। পাওয়া যেত না সবসময়। এলাকায় সামারকিং টমেটোর চাষ বাড়ায় সবসময় এ টমেটো পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে চাহিদাও রয়েছে ভালো। ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে এ টমেটো।

শার্শা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পলাশ কিশোর ঘোষ বলেন, উচ্চমূল্যের ফসল হিসেবে কৃষককে এ টমেটো চাষে উৎসাহ ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। সামারকিং টমেটোর ফলন পাওয়া যায় বারো মাস, দামও ভালো। ফলে এ টমেটো চাষ করে কৃষক লাভবান হচ্ছেন। শার্শায় এ বছর ২৮০ বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, চাষ হয়েছে ৩২০ বিঘায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

টমেটোর চাষ ফলন দেয় বারোমাস

আপডেট টাইম : ০৪:০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অধিক লাভের ফসল হিসেবে যশোরের শার্শ-বেনাপোলে বাড়ছে সামারকিং টমেটোর চাষ। এ টমেটো চাষে সুদিন ফিরছে চাষিদের। প্রতি বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষে খরচ হয় ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। ফলন হয় ৭০ থেকে ৮০ মণ। আর দাম পাওয়া যায় ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা। বারো মাস চাষ ও ফলন পাওয়া যায় বলে এ টমেটো চাষে আগ্রহ বাড়ছে এ এলাকার চাষিদের।

কৃষিপ্রধান এলাকা শার্শা-বেনাপোলে অধিক লাভের ফলন হিসেবে সামারকিং টমেটোর চাষ বাড়ছে। সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরা এ টমেটোর স্থানীয় বাজারে কদরও রয়েছে ভালো। কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চারা রোপণের ২ মাসের মধ্যে ফলন দেয় সামারকিং টমেটো। একবার চারা রোপণ করলে একাধারে ৫ বছর ফলন পাওয়া যায় এ টমেটোর। সব মৌসুমেই করা যায় চাষ, আর ফলন হয় বারো মাস। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কৃষক আরও জানান, দেশি টমেটোতে দ্রুত পচন ধরে ও নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এ জাতের টমেটো নষ্ট হয় দেরিতে। ফলে চাষি ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন কম। সব মিলিয়ে এ টমেটো চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। আর এ টমেটো চাষ করেই অনেক চাষির সংসারে ফিরেছে সুদিন।

লক্ষ্মণপুর গ্রামের টমেটো চাষি শাহজাহার আলী ও ইসমাইল হোসেন জানান, সবসময় বাজারে পাওয়া যায় সামারকিং টমেটো। এর চাহিদাও রয়েছে। ফলে এ টমেটো চাষ করে লাভবান হচ্ছেন তারা। ১ বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষ করতে খরচ হয় ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করা যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে এ টমেটো ভারত থেকে আমদানি করা হতো। পাওয়া যেত না সবসময়। এলাকায় সামারকিং টমেটোর চাষ বাড়ায় সবসময় এ টমেটো পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে চাহিদাও রয়েছে ভালো। ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে এ টমেটো।

শার্শা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পলাশ কিশোর ঘোষ বলেন, উচ্চমূল্যের ফসল হিসেবে কৃষককে এ টমেটো চাষে উৎসাহ ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। সামারকিং টমেটোর ফলন পাওয়া যায় বারো মাস, দামও ভালো। ফলে এ টমেটো চাষ করে কৃষক লাভবান হচ্ছেন। শার্শায় এ বছর ২৮০ বিঘা জমিতে সামারকিং টমেটো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, চাষ হয়েছে ৩২০ বিঘায়।