ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

মেয়েদের ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি ফাঁসের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭
  • ৪৩০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপস ‘ইমো’র মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
আটক ব্যক্তিরা ‘ইমো’ র মাধ্যমে স্পর্শকাতর ছবি, অর্থ আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত বিকাশ নম্বর এবং কারো কারো অফিসিয়াল তথ্য হাতিয়ে নিয়ে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করত বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

কিন্তু একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য একজন কিভাবে তথ্য হাতিয়ে নেয়?

র‌্যাব ৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেছেন, কারো মোবাইলে সমস্যা হলে, কিংবা মোবাইলে কোন অডিও বা ভিডিও কনটেন্ট লোড করতে হলে মানুষ আশেপাশের কোন মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানে যায়। তখন দোকানদার একটা ইমো অ্যাকাউন্ট খোলে নিজের মোবাইলে, কিন্তু এক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর দেয় সেবা নিতে আসা ব্যক্তির।

এরপর ঐ অ্যাকাউন্টের বিপরীতে একটা ইমো কোড আসে গ্রাহকের নম্বরে। তখন দোকানদার সেটা কনফার্ম করে দিয়ে ইমো অ্যাকাউন্ট চালু করে ফেলে। তখন ঐ গ্রাহকের মোবাইলে কোন ইমো থাকলে, সেটির একটি মিরর বা ক্লোন তৈরি হয় দোকানদারের মোবাইলে। কিন্তু গ্রাহকের মোবাইল থেকে ইমো সংশ্লিষ্ট মেসেজ বা বার্তাটি মুছে দেয় দোকানদার।

এরপর ঐ গ্রাহক যখনি ইমোতে কোন বার্তা বা ছবি আদানপ্রদান করবেন, তখনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি ঐ দোকানদারের ইমোতে চলে যায়। এভাবেই ঐ গ্রাহকের অজান্তেই তার ব্যক্তিগত এবং স্পর্শকাতর তথ্য পাচার হয়ে যায়।

র‌্যাবের মি. মাসুদ বলছিলেন, প্রতারকেরা এরপর ঐ অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরেই, তার অন্য বন্ধুদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে, আরো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।

মি. মাসুদ বলছেন, এছাড়াও প্রবাসী কেউ যখন বিদেশ থেকে পরিবার বা আত্মীয় কাউকে অর্থ পাঠাবেন, তখন এ প্রান্ত থেকে পাঠানো বিকাশ নম্বরটি মুছে প্রতারকেরা অন্য নম্বর বসিয়ে দেয়। ফলে ঐ প্রান্ত থেকে টাকা পাঠানো হয় ভিন্ন বিকাশ নম্বরে।

এভাবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার রেকর্ড, ছবি এবং অর্থ হাতিয়ে নেবার পর, প্রতারকেরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করত। মি. মাসুদ বলছেন, কয়েক সপ্তাহ আগে ঢাকার একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরণের একটি অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে র‌্যাব।

এক পর্যায়ে দেখা যায়, এ কাজে বিশেষ এক শ্রেণী অর্থাৎ পরিবার বিদেশে থাকে, নারী, বিকাশের মাধ্যমে অর্থ আদান প্রদান করেন এবং ইমো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তথ্য বিনিময় করেন, তারা এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বেশি। মি. মাসুদ বলছিলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে শতাধিক নারীর ব্যক্তিগত ছবি উদ্ধার করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

মেয়েদের ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি ফাঁসের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপস ‘ইমো’র মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
আটক ব্যক্তিরা ‘ইমো’ র মাধ্যমে স্পর্শকাতর ছবি, অর্থ আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত বিকাশ নম্বর এবং কারো কারো অফিসিয়াল তথ্য হাতিয়ে নিয়ে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করত বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

কিন্তু একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য একজন কিভাবে তথ্য হাতিয়ে নেয়?

র‌্যাব ৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেছেন, কারো মোবাইলে সমস্যা হলে, কিংবা মোবাইলে কোন অডিও বা ভিডিও কনটেন্ট লোড করতে হলে মানুষ আশেপাশের কোন মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানে যায়। তখন দোকানদার একটা ইমো অ্যাকাউন্ট খোলে নিজের মোবাইলে, কিন্তু এক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর দেয় সেবা নিতে আসা ব্যক্তির।

এরপর ঐ অ্যাকাউন্টের বিপরীতে একটা ইমো কোড আসে গ্রাহকের নম্বরে। তখন দোকানদার সেটা কনফার্ম করে দিয়ে ইমো অ্যাকাউন্ট চালু করে ফেলে। তখন ঐ গ্রাহকের মোবাইলে কোন ইমো থাকলে, সেটির একটি মিরর বা ক্লোন তৈরি হয় দোকানদারের মোবাইলে। কিন্তু গ্রাহকের মোবাইল থেকে ইমো সংশ্লিষ্ট মেসেজ বা বার্তাটি মুছে দেয় দোকানদার।

এরপর ঐ গ্রাহক যখনি ইমোতে কোন বার্তা বা ছবি আদানপ্রদান করবেন, তখনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি ঐ দোকানদারের ইমোতে চলে যায়। এভাবেই ঐ গ্রাহকের অজান্তেই তার ব্যক্তিগত এবং স্পর্শকাতর তথ্য পাচার হয়ে যায়।

র‌্যাবের মি. মাসুদ বলছিলেন, প্রতারকেরা এরপর ঐ অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরেই, তার অন্য বন্ধুদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে, আরো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।

মি. মাসুদ বলছেন, এছাড়াও প্রবাসী কেউ যখন বিদেশ থেকে পরিবার বা আত্মীয় কাউকে অর্থ পাঠাবেন, তখন এ প্রান্ত থেকে পাঠানো বিকাশ নম্বরটি মুছে প্রতারকেরা অন্য নম্বর বসিয়ে দেয়। ফলে ঐ প্রান্ত থেকে টাকা পাঠানো হয় ভিন্ন বিকাশ নম্বরে।

এভাবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার রেকর্ড, ছবি এবং অর্থ হাতিয়ে নেবার পর, প্রতারকেরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করত। মি. মাসুদ বলছেন, কয়েক সপ্তাহ আগে ঢাকার একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরণের একটি অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে র‌্যাব।

এক পর্যায়ে দেখা যায়, এ কাজে বিশেষ এক শ্রেণী অর্থাৎ পরিবার বিদেশে থাকে, নারী, বিকাশের মাধ্যমে অর্থ আদান প্রদান করেন এবং ইমো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তথ্য বিনিময় করেন, তারা এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বেশি। মি. মাসুদ বলছিলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে শতাধিক নারীর ব্যক্তিগত ছবি উদ্ধার করা হয়েছে।