ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ২ লাখ ১৮ হাজার টন, এসেছে ২৬ টন জুলাই শহীদ পরিবার-আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণকাজের উদ্বোধন কবে, জানালেন গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী ৭১-এর মতো ২৪ যেন হারিয়ে না যায়: জামায়াত আমির জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল: প্রধানমন্ত্রী গোপন নম্বর-স্যাটেলাইট ফোনে চলতো শেখ হাসিনার শেষ মুহূর্তের যোগাযোগ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক

হলি আর্টিজানে হামলা : র‌্যাশের জবানবন্দি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৮২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নব্য জেএমবির নেতা রাশেদ ইসলাম (২৪) ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড চলাকালে র‌্যাশ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ন কবির। তিনি র‌্যাশের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গত ২৯ জুলাই ছয় দিন এবং ৫ আগস্ট র‌্যাশের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে গত ২৮ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোরের সিংড়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে র‌্যাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায়।

প্রসঙ্গত, গত বছর ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী জঙ্গিরা হামলা করে। তারা দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।

পরের দিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে হামলাকারীরা নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।

ওই ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা, ১৮ বিদেশি, দুই বাংলাদেশি ও পাঁচ হামলাকারীসহ ২৮ জন নিহত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ২ লাখ ১৮ হাজার টন, এসেছে ২৬ টন

হলি আর্টিজানে হামলা : র‌্যাশের জবানবন্দি

আপডেট টাইম : ০৪:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নব্য জেএমবির নেতা রাশেদ ইসলাম (২৪) ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড চলাকালে র‌্যাশ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ন কবির। তিনি র‌্যাশের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গত ২৯ জুলাই ছয় দিন এবং ৫ আগস্ট র‌্যাশের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে গত ২৮ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোরের সিংড়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে র‌্যাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায়।

প্রসঙ্গত, গত বছর ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী জঙ্গিরা হামলা করে। তারা দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।

পরের দিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে হামলাকারীরা নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।

ওই ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা, ১৮ বিদেশি, দুই বাংলাদেশি ও পাঁচ হামলাকারীসহ ২৮ জন নিহত হয়।