ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরও প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আমির হামজার ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি রাশেদ খানের শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ আইজেনকোটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন নির্ধারণ রোববার মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে সেমন্তী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৭৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর কণ্ঠে ধারণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের সংকলন ‘দেখো রে চিত্তকমলে’ বাজারে এনেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ২৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তন এ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। মোড়ক উন্মোচন করেন সংগীতজ্ঞ, শিক্ষক ও গবেষক ড. সনজীদা খাতুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক।

মোড়ক উন্মোচন পর্ব শেষে শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরী পরিবেশন করেন পূজা পর্বের ‘জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ’ ও ‘আমি তারেই খুঁজে বেড়াই’; বিচিত্র অঙ্গের ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়’; প্রেম পর্বের ‘বাহির পথে বিবাগী হিয়া’; প্রকৃতি পর্যায়ের বর্ষার গান ‘ওরে ঝড় নেমে আয়’, ‘ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে’; প্রেম পর্যায়ের বর্ষা আবহের ‘সখী, আঁধারে একেলা ঘরে’, ‘এই শ্রাবণের বুকের ভিতর আগুন আছে’, ‘শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে’ ও ‘যায় দিন, শ্রাবণদিন যায়’ গানগুলো।

শিল্পীর সঙ্গে যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন তবলায় এনামুল হক ওমর, এস্রাজে অসিত বিশ্বাস ও কি-বোর্ডে রবীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর বাবা সোহরাব উদ্দীন ও মা নাসিমা খান দুইজনই সংগীতশিল্পী। ৪ বছর বয়সে সংগীতের প্রথম শিক্ষা বাবার কাছে। বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক তারই পরিবারের সদস্য ও ছোটবেলা থেকে তার কাছে শেখার সুযোগ হয় সেমন্তীর। ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে রবীন্দ্রসংগীতের কোর্স শেষ করেন। ছায়ানটে শিক্ষার্থী অবস্থায় বিখ্যাত গুণিজনদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ ঘটেছে তার। এর মধ্যে ওয়াহিদুল হক ও সন্জীদা খাতুন অন্যতম।

১৮ বছর বয়সে সেমন্তী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। বিভিন্ন মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশনের সুযোগ পেয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে ছায়ানটে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। ২০১৪ সালে ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ শিরোনামে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি লন্ডনে কালচারাল স্টাডিজে মাস্টার্স করছেন।

অ্যালবামটিতে যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা করেছেন প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে সেমন্তী

আপডেট টাইম : ০৩:২৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর কণ্ঠে ধারণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের সংকলন ‘দেখো রে চিত্তকমলে’ বাজারে এনেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ২৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তন এ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। মোড়ক উন্মোচন করেন সংগীতজ্ঞ, শিক্ষক ও গবেষক ড. সনজীদা খাতুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক।

মোড়ক উন্মোচন পর্ব শেষে শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরী পরিবেশন করেন পূজা পর্বের ‘জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ’ ও ‘আমি তারেই খুঁজে বেড়াই’; বিচিত্র অঙ্গের ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়’; প্রেম পর্বের ‘বাহির পথে বিবাগী হিয়া’; প্রকৃতি পর্যায়ের বর্ষার গান ‘ওরে ঝড় নেমে আয়’, ‘ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে’; প্রেম পর্যায়ের বর্ষা আবহের ‘সখী, আঁধারে একেলা ঘরে’, ‘এই শ্রাবণের বুকের ভিতর আগুন আছে’, ‘শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে’ ও ‘যায় দিন, শ্রাবণদিন যায়’ গানগুলো।

শিল্পীর সঙ্গে যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন তবলায় এনামুল হক ওমর, এস্রাজে অসিত বিশ্বাস ও কি-বোর্ডে রবীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরীর বাবা সোহরাব উদ্দীন ও মা নাসিমা খান দুইজনই সংগীতশিল্পী। ৪ বছর বয়সে সংগীতের প্রথম শিক্ষা বাবার কাছে। বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক তারই পরিবারের সদস্য ও ছোটবেলা থেকে তার কাছে শেখার সুযোগ হয় সেমন্তীর। ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে রবীন্দ্রসংগীতের কোর্স শেষ করেন। ছায়ানটে শিক্ষার্থী অবস্থায় বিখ্যাত গুণিজনদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ ঘটেছে তার। এর মধ্যে ওয়াহিদুল হক ও সন্জীদা খাতুন অন্যতম।

১৮ বছর বয়সে সেমন্তী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। বিভিন্ন মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান পরিবেশনের সুযোগ পেয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে ছায়ানটে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। ২০১৪ সালে ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ শিরোনামে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি লন্ডনে কালচারাল স্টাডিজে মাস্টার্স করছেন।

অ্যালবামটিতে যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা করেছেন প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।