ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

পুরো মার্কিন মুল্লুকই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০১৭
  • ৩০৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উত্তর কোরিয়া শুক্রবারের (২৮ জুলাই) আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সফলতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন বলেছেন এই পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে পুরো মার্কিন মুল্লুকই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মত আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তিন সপ্তাহ পর আবার এই পরীক্ষা চালালো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “সাম্প্রতিক এই পরীক্ষা শুধু উত্তর কোরিয়ার শাসকদের একটি বেপরোয়া এবং বিপদজনক কর্মকাণ্ড।” উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ৪৭ মিনিট আকাশে ওড়ে এবং ৩,৭২৪ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম হয়। উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, “নেতা গর্বের সাথে বলেছেন এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটাই এখন আমাদের হামলার আওতায় রয়েছে।” এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটির মডেল ছিলো হওসং-১৪। গত ৩ জুলাইও একই মডেলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর জাপানের কাছে সমুদ্রে পতিত হয় বলে জানা গেছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মহড়া চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়, “দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রসীমায় পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপন করা হয়।” বেশ কয়েকটি পরীক্ষা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা উত্তর কোরিয়া এখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে পারমানবিক বোমা যুক্ত করার মত সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুলভাবে টার্গেটে আঘাত করতে পারে না। আবার অনেকেই মনে করেন, যে হারে পিয়ংইয়ং এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন পারমানবিক অস্ত্র বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে। সূত্র: বিবিসি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

পুরো মার্কিন মুল্লুকই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উত্তর কোরিয়া শুক্রবারের (২৮ জুলাই) আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সফলতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন বলেছেন এই পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে পুরো মার্কিন মুল্লুকই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মত আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তিন সপ্তাহ পর আবার এই পরীক্ষা চালালো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “সাম্প্রতিক এই পরীক্ষা শুধু উত্তর কোরিয়ার শাসকদের একটি বেপরোয়া এবং বিপদজনক কর্মকাণ্ড।” উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ৪৭ মিনিট আকাশে ওড়ে এবং ৩,৭২৪ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম হয়। উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, “নেতা গর্বের সাথে বলেছেন এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটাই এখন আমাদের হামলার আওতায় রয়েছে।” এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটির মডেল ছিলো হওসং-১৪। গত ৩ জুলাইও একই মডেলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর জাপানের কাছে সমুদ্রে পতিত হয় বলে জানা গেছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মহড়া চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়, “দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রসীমায় পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপন করা হয়।” বেশ কয়েকটি পরীক্ষা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা উত্তর কোরিয়া এখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে পারমানবিক বোমা যুক্ত করার মত সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুলভাবে টার্গেটে আঘাত করতে পারে না। আবার অনেকেই মনে করেন, যে হারে পিয়ংইয়ং এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন পারমানবিক অস্ত্র বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে। সূত্র: বিবিসি