ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ একদিন এক নম্বর দলে পরিণত হবে: মাশরাফি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭
  • ৩৫৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  গোটা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানিয়া দল।  মাশরাফি বলেন, ‘একটা সময় বাংলাদেশকে র‍্যাংকিংয়ে পাঁচ-ছয়ের মধ্যে দেখতে চাইতাম।   ক্যারিয়ারের অনেকটা সময় পেরিয়ে আসার পর সেই অর্জন দেখতে পেয়েছি।  এই দলের সেরা তিনে যাওয়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে।  আমার বিশ্বাস একদিন বাংলাদেশ এক নম্বর দলে পরিণত হবে। ’

বাংলাদেশের এই বদলে যাওয়া মাশরাফির নেতৃত্বেই।  কীভাবে এই বদলে যাওয়া, বাংলাদেশ অধিনায়ক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ক্রিকেটে অধিনায়কত্বটা একটা বড় ব্যাপার।  এর জন্য আমির ভেতরে থাকা যাবে না।  আমার কাছে গুরুত্পূর্ণ হচ্ছে—আমরা কী করছি।  একজন পারফর্ম করছে আমরা সবাই খুশি হচ্ছি।  কিন্তু একজন ফর্মে নেই, তাঁকে সবাই মিলে সাপোর্ট করা, তাঁর পরিস্থিতিকে ফিল করাটাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।  আমি থেকে যখন আমরাতে এসেছি, তখনই

আমাদের বদলে যাওয়া শুরু হয়েছে। ’

ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বে খেলা ৪০ ম্যাচের ২৪টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।  আর হেরেছে ১৪টিতে।  টি-টোয়েন্টিতেও দেশকে কম সাফল্য এনে দেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা।  এর আগে বাংলাদেশের অন্য কোনো অধিনায়কের এমন ঈর্ষনীয় সাফল্য নেই।

কারো দয়া-দাক্ষিণ্যে নয়, নিজের যোগ্যতায় ক্রিকেট খেলে থাকেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার এই নায়ক।  নিজের অবসর প্রসঙ্গ এবং সমালোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

দ্বিতীয় মেয়াদে অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে দেশকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে গিয়েছিলেন মাশরাফি।  আর সদ্য সমাপ্ত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠে এক রকম ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ দল।  এই দুটি অসাধারণ সাফল্য এসেছে নড়াইল এক্সপ্রেসের ক্ষুরধার নেতৃত্বেই।

ফর্ম ও ফিটনেস ঠিক থাকলে ২০১৯ বিশ্বকাপেও তাঁকে পেতে চাইবে টিম ম্যানেজমেন্ট।  তাঁর অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ তো নেই-ই, তা ছাড়া তাঁর পারফরম্যান্সও যথেষ্টই ভালো।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘প্রথমত দায়া-দক্ষিণ্যের তো প্রশ্নই আসে না।  ২০১১ বিশ্বকাপে খেলিনি, তখন খেলার জন্য খুব ইচ্ছে ছিল।  কিন্তু ছোট একটা ইনজুরির জন্য দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল আমাকে।  তখন আমি মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছিলাম।  ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে আবার অধিনায়ক হয়েছি।

আমার নেতৃত্বে দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।  কিন্তু ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত কঠিন পরিশ্রমের কারণেই আবার দলে ফিরে আসতে পেরেছি।  বড় কথা সবার সঙ্গে তালমিলিয়ে খেলতে গেলে আমাকে আলাদা করে অনুশীলন করতে হয়।  এখানে আসলে সহানুভূতির কোনো জায়গা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

বাংলাদেশ একদিন এক নম্বর দলে পরিণত হবে: মাশরাফি

আপডেট টাইম : ০৪:০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  গোটা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানিয়া দল।  মাশরাফি বলেন, ‘একটা সময় বাংলাদেশকে র‍্যাংকিংয়ে পাঁচ-ছয়ের মধ্যে দেখতে চাইতাম।   ক্যারিয়ারের অনেকটা সময় পেরিয়ে আসার পর সেই অর্জন দেখতে পেয়েছি।  এই দলের সেরা তিনে যাওয়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে।  আমার বিশ্বাস একদিন বাংলাদেশ এক নম্বর দলে পরিণত হবে। ’

বাংলাদেশের এই বদলে যাওয়া মাশরাফির নেতৃত্বেই।  কীভাবে এই বদলে যাওয়া, বাংলাদেশ অধিনায়ক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ক্রিকেটে অধিনায়কত্বটা একটা বড় ব্যাপার।  এর জন্য আমির ভেতরে থাকা যাবে না।  আমার কাছে গুরুত্পূর্ণ হচ্ছে—আমরা কী করছি।  একজন পারফর্ম করছে আমরা সবাই খুশি হচ্ছি।  কিন্তু একজন ফর্মে নেই, তাঁকে সবাই মিলে সাপোর্ট করা, তাঁর পরিস্থিতিকে ফিল করাটাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।  আমি থেকে যখন আমরাতে এসেছি, তখনই

আমাদের বদলে যাওয়া শুরু হয়েছে। ’

ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বে খেলা ৪০ ম্যাচের ২৪টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।  আর হেরেছে ১৪টিতে।  টি-টোয়েন্টিতেও দেশকে কম সাফল্য এনে দেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা।  এর আগে বাংলাদেশের অন্য কোনো অধিনায়কের এমন ঈর্ষনীয় সাফল্য নেই।

কারো দয়া-দাক্ষিণ্যে নয়, নিজের যোগ্যতায় ক্রিকেট খেলে থাকেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার এই নায়ক।  নিজের অবসর প্রসঙ্গ এবং সমালোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

দ্বিতীয় মেয়াদে অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে দেশকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে গিয়েছিলেন মাশরাফি।  আর সদ্য সমাপ্ত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠে এক রকম ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ দল।  এই দুটি অসাধারণ সাফল্য এসেছে নড়াইল এক্সপ্রেসের ক্ষুরধার নেতৃত্বেই।

ফর্ম ও ফিটনেস ঠিক থাকলে ২০১৯ বিশ্বকাপেও তাঁকে পেতে চাইবে টিম ম্যানেজমেন্ট।  তাঁর অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ তো নেই-ই, তা ছাড়া তাঁর পারফরম্যান্সও যথেষ্টই ভালো।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘প্রথমত দায়া-দক্ষিণ্যের তো প্রশ্নই আসে না।  ২০১১ বিশ্বকাপে খেলিনি, তখন খেলার জন্য খুব ইচ্ছে ছিল।  কিন্তু ছোট একটা ইনজুরির জন্য দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল আমাকে।  তখন আমি মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছিলাম।  ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে আবার অধিনায়ক হয়েছি।

আমার নেতৃত্বে দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।  কিন্তু ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত কঠিন পরিশ্রমের কারণেই আবার দলে ফিরে আসতে পেরেছি।  বড় কথা সবার সঙ্গে তালমিলিয়ে খেলতে গেলে আমাকে আলাদা করে অনুশীলন করতে হয়।  এখানে আসলে সহানুভূতির কোনো জায়গা নেই।