ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফখরুলের খাতায় ৮৬ রিজভীর ৫৯ মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭
  • ৩০৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাজনৈতিক মহলে একজন সজ্জন রাজনীতিকের ইমেজ রয়েছে তার। মার্জিত রুচিবোধসম্পন্ন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পছন্দ করেন তার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতারাও। কিন্তু বিরোধী দল বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এখন বহু মামলার আসামি। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নাশকতার অভিযোগে দ্রুত বিচার আইন, বিস্ফোরকদ্রব্য, অগ্নিসংযোগসহ নানা আইনে তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৮৬টি মামলা। যার ৭০ ভাগ মামলায় চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত নৈরাজ্যের ঘটনায় দায়ের হয়েছে একের পর এক মামলা। দলটির মহাসচিব হিসেবে বেশিরভাগ মামলায় আসামির তালিকায় রয়েছে মির্জা আলমগীরের নাম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েক দফায় দীর্ঘদিন কারাভোগও করেছেন তিনি। কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি পান। পরে যুক্তরাষ্ট্রে তিনি চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরলেও ফলোআপ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে হয়। প্রতি সপ্তাহেই একাধিক দিন তাকে হাজিরা দিতে হয় আদালতে। আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের সময় যেসব ধারা উল্লেখ করা হয়েছে পরে চার্জশিটের সময় বিস্ফোরক দ্রব্য, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ একাধিক আইনে বিভক্ত করে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন মামলা। একটি মামলা চার্জশিটের সময় পরিণত হচ্ছে দুই থেকে তিনে। মির্জা আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কয়েকটি মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত বিচার আইনের মামলা নং-৪৯/১২ (তেজগাঁও), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৪/১৩  (রমনা), মামলা নং-৩/১৩ (রমনা), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৩/১৩ (রমনা), দ্রুত বিচার আইনে মামলা নং-০৩/১৩ (শাজাহানপুর), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৫/১৩ (পল্টন), দ্রুত বিচার আইনের মামলা নং-৪/১৩ (পল্টন), মামলা নং-৪/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৭/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৬/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৪/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-১৩/১২ (পল্টন), মামলা নং-৩/১৫ (পল্টন) ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং ৪৬/১৪ (পল্টন)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রয়েছে কয়েকটি মানহানির মামলা। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে প্রথম মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে সে মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি।
রাজনীতির চড়াই-উৎরাই পার হয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি রিজভী আহমেদ। ওয়ান ইলেভেনের সময় থেকে দলের মূলধারার পক্ষে মুখর থেকে অর্জন করেছেন শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থা। বর্তমান সরকারের আমলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ সময় পার করেছেন টানা ৫৪ দিন। বর্তমানে ৫৯ মামলার আসামি রিজভী আহমেদ কারাভোগ করেছেন ৫ বার। ২০১২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রতিবছরই একবার করে কারাভোগ করেছেন তিনি। ২০১৫ সালে রিমান্ড খেটেছেন টানা ৩৫ দিন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৫৯ মামলার মধ্যে ৫৬টিতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ, ২৯টি স্থানান্তর করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। তার মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত বিচার আইনে মামলা নং-৪৯/১২ (তেজগাঁও), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৪৪/১২ (শাহবাগ), মামলা নং-৫৮/১৩ (শাহবাগ), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৮৯/০৯ (মিরপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৯৩/১৫ (মিরপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৯৮/১৫ (মিরপুর), মামলা নং-৩০/১৫ (মিরপুর), দ্রুত বিচার আইন মামলা নং-২০/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-২১/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৫০/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৪৬/১৪ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৪০/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-১৪(১২) (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-২২/১৫ (রমনা), মামলা নং-১৩/১৫ (শেরেবাংলা নগর), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫৮/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫৮/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৫৯/১৫ (যাত্রাবাড়ি), মামলা নং-৬১/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৩৬/১৫ (মোহাম্মদপুর), মামলা নং-৩০/১৫ (মোহাম্মদপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৪২/১৫ (মোহাম্মদপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৩১/১৫ (বাড্ডা), মামলা নং-১৬/১৩ (মতিঝিল), মামলা নং-৪৪/১৩ (মতিঝিল), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-২৯/১৫ (মতিঝিল), মামলা নং-০৫/১৫ (চৌদ্দগ্রাম), মামলা নং-৪/১৫ (চৌদ্দগ্রাম), মামলা নং-৯১৭/১৪ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর), বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৩২৩/১২, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৬৯০/১৪, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৮২৩/১৪, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং ৪৭/১৫ (খিলগাঁও) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং ৩/১৫ (পল্লবী)।
মামলার ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মামলাকে ভিন্নমত, বিরোধীদল ঘায়েলের অস্ত্র করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। কত ধরনের মিথ্যা মামলা দেয়া যায় তার নতুন নতুন নজির সৃষ্টি করেছে তারা। আমার বিরুদ্ধে একই দিনে কয়েকটি করে মামলা দেয়া হলো। একটি মামলায় গাড়িতে বোমা হামলার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবককে আসামি করা হয়েছে। নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আমার নাম। যদি প্রশ্ন করি, আসামিদের যেখানে আটকই করা গেল না, তারা যেখানে অজ্ঞাতই থেকে গেলো সেখানে তাদের নির্দেশদাতার নাম কিভাবে জানলো পুলিশ? হাস্যকর, অযৌক্তিক এবং মিথ্যা সব অভিযোগে মামলা দেয়া হয়েছে একের পর এক। দ্রুত বিচার আইনে দেয়া সেসব মামলার চার্জশিট দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মামলার পেছনে যে সরকারের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে সেটা সবাই বোঝে। তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে মামলা দিয়ে বিএনপিকে ঘায়েল করতে চায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ফখরুলের খাতায় ৮৬ রিজভীর ৫৯ মামলা

আপডেট টাইম : ১১:৪২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাজনৈতিক মহলে একজন সজ্জন রাজনীতিকের ইমেজ রয়েছে তার। মার্জিত রুচিবোধসম্পন্ন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পছন্দ করেন তার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতারাও। কিন্তু বিরোধী দল বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এখন বহু মামলার আসামি। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নাশকতার অভিযোগে দ্রুত বিচার আইন, বিস্ফোরকদ্রব্য, অগ্নিসংযোগসহ নানা আইনে তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৮৬টি মামলা। যার ৭০ ভাগ মামলায় চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত নৈরাজ্যের ঘটনায় দায়ের হয়েছে একের পর এক মামলা। দলটির মহাসচিব হিসেবে বেশিরভাগ মামলায় আসামির তালিকায় রয়েছে মির্জা আলমগীরের নাম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েক দফায় দীর্ঘদিন কারাভোগও করেছেন তিনি। কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি পান। পরে যুক্তরাষ্ট্রে তিনি চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরলেও ফলোআপ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে হয়। প্রতি সপ্তাহেই একাধিক দিন তাকে হাজিরা দিতে হয় আদালতে। আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের সময় যেসব ধারা উল্লেখ করা হয়েছে পরে চার্জশিটের সময় বিস্ফোরক দ্রব্য, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ একাধিক আইনে বিভক্ত করে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন মামলা। একটি মামলা চার্জশিটের সময় পরিণত হচ্ছে দুই থেকে তিনে। মির্জা আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কয়েকটি মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত বিচার আইনের মামলা নং-৪৯/১২ (তেজগাঁও), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৪/১৩  (রমনা), মামলা নং-৩/১৩ (রমনা), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৩/১৩ (রমনা), দ্রুত বিচার আইনে মামলা নং-০৩/১৩ (শাজাহানপুর), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৫/১৩ (পল্টন), দ্রুত বিচার আইনের মামলা নং-৪/১৩ (পল্টন), মামলা নং-৪/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৭/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৬/১৫ (পল্টন), মামলা নং-৪/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-১৩/১২ (পল্টন), মামলা নং-৩/১৫ (পল্টন) ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং ৪৬/১৪ (পল্টন)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রয়েছে কয়েকটি মানহানির মামলা। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে প্রথম মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে সে মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি।
রাজনীতির চড়াই-উৎরাই পার হয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি রিজভী আহমেদ। ওয়ান ইলেভেনের সময় থেকে দলের মূলধারার পক্ষে মুখর থেকে অর্জন করেছেন শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থা। বর্তমান সরকারের আমলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ সময় পার করেছেন টানা ৫৪ দিন। বর্তমানে ৫৯ মামলার আসামি রিজভী আহমেদ কারাভোগ করেছেন ৫ বার। ২০১২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রতিবছরই একবার করে কারাভোগ করেছেন তিনি। ২০১৫ সালে রিমান্ড খেটেছেন টানা ৩৫ দিন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৫৯ মামলার মধ্যে ৫৬টিতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ, ২৯টি স্থানান্তর করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। তার মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত বিচার আইনে মামলা নং-৪৯/১২ (তেজগাঁও), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৪৪/১২ (শাহবাগ), মামলা নং-৫৮/১৩ (শাহবাগ), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৮৯/০৯ (মিরপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৯৩/১৫ (মিরপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৯৮/১৫ (মিরপুর), মামলা নং-৩০/১৫ (মিরপুর), দ্রুত বিচার আইন মামলা নং-২০/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-২১/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৫০/১৩ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-৪৬/১৪ (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৪০/১৫ (পল্টন), বিস্ফোরক আইনে মামলা নং-১৪(১২) (পল্টন), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-২২/১৫ (রমনা), মামলা নং-১৩/১৫ (শেরেবাংলা নগর), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫৮/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-৫৮/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৫৯/১৫ (যাত্রাবাড়ি), মামলা নং-৬১/১৫ (যাত্রাবাড়ি), বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৩৬/১৫ (মোহাম্মদপুর), মামলা নং-৩০/১৫ (মোহাম্মদপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৪২/১৫ (মোহাম্মদপুর), বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-৩১/১৫ (বাড্ডা), মামলা নং-১৬/১৩ (মতিঝিল), মামলা নং-৪৪/১৩ (মতিঝিল), বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং-২৯/১৫ (মতিঝিল), মামলা নং-০৫/১৫ (চৌদ্দগ্রাম), মামলা নং-৪/১৫ (চৌদ্দগ্রাম), মামলা নং-৯১৭/১৪ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর), বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৩২৩/১২, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৬৯০/১৪, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৮২৩/১৪, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নং ৪৭/১৫ (খিলগাঁও) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং ৩/১৫ (পল্লবী)।
মামলার ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মামলাকে ভিন্নমত, বিরোধীদল ঘায়েলের অস্ত্র করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। কত ধরনের মিথ্যা মামলা দেয়া যায় তার নতুন নতুন নজির সৃষ্টি করেছে তারা। আমার বিরুদ্ধে একই দিনে কয়েকটি করে মামলা দেয়া হলো। একটি মামলায় গাড়িতে বোমা হামলার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবককে আসামি করা হয়েছে। নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আমার নাম। যদি প্রশ্ন করি, আসামিদের যেখানে আটকই করা গেল না, তারা যেখানে অজ্ঞাতই থেকে গেলো সেখানে তাদের নির্দেশদাতার নাম কিভাবে জানলো পুলিশ? হাস্যকর, অযৌক্তিক এবং মিথ্যা সব অভিযোগে মামলা দেয়া হয়েছে একের পর এক। দ্রুত বিচার আইনে দেয়া সেসব মামলার চার্জশিট দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মামলার পেছনে যে সরকারের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে সেটা সবাই বোঝে। তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে মামলা দিয়ে বিএনপিকে ঘায়েল করতে চায়।