ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

নিষ্ক্রিয় নেতাদের কঠোর হুশিয়ারি আ জ ম নাছিরের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুলাই ২০১৭
  • ৩৪৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দলের প্রথম সারির নেতা। তবে তারা দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়। আগে সেব নেতার নাম আড়ালে আলোচনা হলেও আজ প্রকাশ্যে আলোচনায় উঠে এলো তাদের নাম। দেয়া হলো সতর্ক বার্তা। দলের কর্মসূচিতে যেসব নেতা আসেন না তাদের তালিকা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার কথা জানালেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

আজ শনিবার নগরীর আলমাস সিনেমা হলের পাশে গুলশান কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক  জহুর আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় মেয়র এসব কথা বলেন।

নাছির নিষ্ক্রিয় নেতাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও মান-অভিমান থাকতে পারে।  সেটার দায় দলের নয়।  এই দল সবার। তাই সবাইকে সমানভাবে কাজ করতে হবে। নেতা হয়ে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাহলে   আমার কেন শুধু রাস্তায় থাকব ? রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজব। সেইসব নিষ্ক্রিয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দলের কর্মকান্ডে  না থাকলে আপনারা পদ নিয়েছেন কেন ? আপনারা নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন।

যেসব মন্ত্রী-এমপি দলের কর্মকান্ডে আসেন না তাদের পদ ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈমউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, নূরুল ইসলাম বিএসসি সাহেব মন্ত্রী হয়েছেন, তিনি নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।  তিনি দলের কর্মসূচিতে আসেন না।  আফছারুল আমিন সাহেব সাবেক মন্ত্রী, এখন এমপি।  নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অথচ তিনিও আসেন না।

এম এ লতিফ দুইবার এমপি হয়েছেন, তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য, তিনি আসেন না।  দিদারুল আলম আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে এমপি হয়েছেন।  তাকে দলের কোন কর্মসূচিতে কখনও দেখা যায় না। সিডিএর চেয়ারম্যান ছালাম সাহেব কে একদিন পাওয়া গেলে আরেক দিন পাওয়া যায়না। এই নেতা আরো বলেন, আমরা তো দলের কর্মী, সরকারের কেউ নয়।  আপনারা সরকারি পদ-পদবিতে আছেন, আপনারা কেন আসেন না?

নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, মহানগরীতে যে ছয়টি আসন আছে, একজন এমপিও দলের তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা নন।  তারা পরগাছা।  তারা শুধু নিজেরটা প্রচার করে, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার করে না।  তৃণমূলকে জাগাতে হলে পরগাছাদের বিদায় করে সত্যিকারের ত্যাগী এবং আওয়ামী লীগের অন্তপ্রাণ নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে।

নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ ও এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান এবং সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র প্রমূখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

নিষ্ক্রিয় নেতাদের কঠোর হুশিয়ারি আ জ ম নাছিরের

আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দলের প্রথম সারির নেতা। তবে তারা দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়। আগে সেব নেতার নাম আড়ালে আলোচনা হলেও আজ প্রকাশ্যে আলোচনায় উঠে এলো তাদের নাম। দেয়া হলো সতর্ক বার্তা। দলের কর্মসূচিতে যেসব নেতা আসেন না তাদের তালিকা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার কথা জানালেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

আজ শনিবার নগরীর আলমাস সিনেমা হলের পাশে গুলশান কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক  জহুর আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় মেয়র এসব কথা বলেন।

নাছির নিষ্ক্রিয় নেতাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও মান-অভিমান থাকতে পারে।  সেটার দায় দলের নয়।  এই দল সবার। তাই সবাইকে সমানভাবে কাজ করতে হবে। নেতা হয়ে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাহলে   আমার কেন শুধু রাস্তায় থাকব ? রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজব। সেইসব নিষ্ক্রিয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দলের কর্মকান্ডে  না থাকলে আপনারা পদ নিয়েছেন কেন ? আপনারা নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন।

যেসব মন্ত্রী-এমপি দলের কর্মকান্ডে আসেন না তাদের পদ ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈমউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, নূরুল ইসলাম বিএসসি সাহেব মন্ত্রী হয়েছেন, তিনি নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।  তিনি দলের কর্মসূচিতে আসেন না।  আফছারুল আমিন সাহেব সাবেক মন্ত্রী, এখন এমপি।  নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অথচ তিনিও আসেন না।

এম এ লতিফ দুইবার এমপি হয়েছেন, তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য, তিনি আসেন না।  দিদারুল আলম আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে এমপি হয়েছেন।  তাকে দলের কোন কর্মসূচিতে কখনও দেখা যায় না। সিডিএর চেয়ারম্যান ছালাম সাহেব কে একদিন পাওয়া গেলে আরেক দিন পাওয়া যায়না। এই নেতা আরো বলেন, আমরা তো দলের কর্মী, সরকারের কেউ নয়।  আপনারা সরকারি পদ-পদবিতে আছেন, আপনারা কেন আসেন না?

নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, মহানগরীতে যে ছয়টি আসন আছে, একজন এমপিও দলের তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা নন।  তারা পরগাছা।  তারা শুধু নিজেরটা প্রচার করে, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার করে না।  তৃণমূলকে জাগাতে হলে পরগাছাদের বিদায় করে সত্যিকারের ত্যাগী এবং আওয়ামী লীগের অন্তপ্রাণ নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে।

নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ ও এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান এবং সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র প্রমূখ।