ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

ফলে কীটনাশক ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭
  • ৪৩৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশীয় ফলের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কীটনাশক ও প্রিজারভেটিভের অপরিকল্পিত ব্যবহার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ কার্যকলাপ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

আগামীকাল ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী ২০১৭ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিশ্বাস করেন, পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ফলের আবাদ বাড়ানোর মাধ্যমে ফল উৎপাদন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানে ফলদ বৃক্ষের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ প্রেক্ষাপটে ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষের এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ যথার্থ হয়েছে।

‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ নতুন প্রজন্মসহ আপামর জনগোষ্ঠীর কাছে ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলের ভাণ্ডার ও গুণাগুণ সম্পর্কে জানাতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে বলেও রাষ্ট্রপতি বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, কাষ্ঠসম্পদের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ফলদ বৃক্ষের রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রাচীনকাল থেকে ফলের বহুবিদ ব্যবহার সর্বজনবিদিত স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফল বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ লবণের সবচেয়ে ভালো উৎস। ফলের ঔষধি গুণও যথেষ্ট। তাই দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ফলের কোনো জুড়ি নেই।

বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে সারাবছর নানা জাতের ও স্বাদের ফল উৎপন্ন হয়। আজকাল বিদেশী ফল স্ট্রবেরি, আঙুর, কমলা ও ম্যান্ডারিনের চাষও দেশে হচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণের উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ’ ও ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ ২০১৭ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও জুন মাসে দেশব্যাপী ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে তিনি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

ফলে কীটনাশক ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব

আপডেট টাইম : ১১:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশীয় ফলের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কীটনাশক ও প্রিজারভেটিভের অপরিকল্পিত ব্যবহার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ কার্যকলাপ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

আগামীকাল ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী ২০১৭ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিশ্বাস করেন, পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ফলের আবাদ বাড়ানোর মাধ্যমে ফল উৎপাদন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানে ফলদ বৃক্ষের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ প্রেক্ষাপটে ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষের এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ যথার্থ হয়েছে।

‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ নতুন প্রজন্মসহ আপামর জনগোষ্ঠীর কাছে ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলের ভাণ্ডার ও গুণাগুণ সম্পর্কে জানাতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে বলেও রাষ্ট্রপতি বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, কাষ্ঠসম্পদের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ফলদ বৃক্ষের রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রাচীনকাল থেকে ফলের বহুবিদ ব্যবহার সর্বজনবিদিত স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফল বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ লবণের সবচেয়ে ভালো উৎস। ফলের ঔষধি গুণও যথেষ্ট। তাই দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ফলের কোনো জুড়ি নেই।

বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে সারাবছর নানা জাতের ও স্বাদের ফল উৎপন্ন হয়। আজকাল বিদেশী ফল স্ট্রবেরি, আঙুর, কমলা ও ম্যান্ডারিনের চাষও দেশে হচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণের উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ’ ও ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ ২০১৭ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও জুন মাসে দেশব্যাপী ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে তিনি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।