ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওর অঞ্চলে ৯০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৭
  • ৪২৫ বার

হাওর অঞ্চলের সাম্প্রতিক আগাম বন্যায় ৯০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে হাওর অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্মের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক আগাম বন্যায় দেশের ৭টি জেলার হাওর অঞ্চলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক ফসলি এ অঞ্চলে বোরা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল দেওয়া এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, হাওরের বেশির ভাগ অঞ্চলের ৯০ শতাংশ বোরো ধানই নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি হিসেবে ৩ লাখ ৭১ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। আনুমানিক ৫ হাজার ৮১ কোটি টাকার ধান, মাছ ধ্বংস হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এর দ্বিগুণ হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ধরনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কমপক্ষে পাঁচ বছর সময় প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইতিমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ হাওরবাসী স্থানান্তরে বাধ্য হয়েছে। আরো অনেকেই চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এ ধরনের বন্যা ও বন্যাপরবর্তী বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কায় তারা স্থান পরিবর্তন করছেন। এপ্রিলের শুরু থেকেই তারা স্থান ত্যাগ শুরু করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাওরে দুর্দশা লাঘবের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কিছু সুপারিশ করেছে হাওর অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম। সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে জরুরি অবস্থা জারি করার সুপারিশ করা হয়েছে।

নভেম্বরের আগেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজের অর্থ ছাড় করা, হাওরের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে স্থানীয় এবং সুশীল সমাজের সমন্বয়ে একটি নজরদারি কাঠামো তৈরি করা, নদীগুলো খনন করা এবং বাঁধগুলো টেকসই ও উঁচু করে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওর অঞ্চলে ৯০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

আপডেট টাইম : ০১:১৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৭

হাওর অঞ্চলের সাম্প্রতিক আগাম বন্যায় ৯০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে হাওর অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্মের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক আগাম বন্যায় দেশের ৭টি জেলার হাওর অঞ্চলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক ফসলি এ অঞ্চলে বোরা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল দেওয়া এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, হাওরের বেশির ভাগ অঞ্চলের ৯০ শতাংশ বোরো ধানই নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি হিসেবে ৩ লাখ ৭১ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। আনুমানিক ৫ হাজার ৮১ কোটি টাকার ধান, মাছ ধ্বংস হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এর দ্বিগুণ হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ধরনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কমপক্ষে পাঁচ বছর সময় প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইতিমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ হাওরবাসী স্থানান্তরে বাধ্য হয়েছে। আরো অনেকেই চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এ ধরনের বন্যা ও বন্যাপরবর্তী বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কায় তারা স্থান পরিবর্তন করছেন। এপ্রিলের শুরু থেকেই তারা স্থান ত্যাগ শুরু করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাওরে দুর্দশা লাঘবের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কিছু সুপারিশ করেছে হাওর অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম। সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে জরুরি অবস্থা জারি করার সুপারিশ করা হয়েছে।

নভেম্বরের আগেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজের অর্থ ছাড় করা, হাওরের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে স্থানীয় এবং সুশীল সমাজের সমন্বয়ে একটি নজরদারি কাঠামো তৈরি করা, নদীগুলো খনন করা এবং বাঁধগুলো টেকসই ও উঁচু করে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।