ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

মিছিল-মিটিং করতে দেন, জঙ্গি থাকবে না: আব্বাস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০১৭
  • ৩৮২ বার

বর্তমান সরকার যদি বিএনপিকে ‘স্বাভাবিকভাবে’ সভা-সমাবেশ করতে দেয় তাহলে জঙ্গিবাদ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার অভিযোগ, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে বন্দী করে রেখেছে। এ কারণেই জঙ্গিবাদের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

৪৭তম স্বাধীনতা দিবসে রবিবার রাজধানীতে বিএনপির শোভযাত্রা পূর্বের সমাবেশে মির্জা আব্বাস এই কথা বলেন। সাম্প্রতিককালে বিএনপি রাজধানীতে সভা-সমাবেশের অনুমতি না পেলেও এই আয়োজন ছিল ব্যতিক্রম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো বাধা দেয়নি দলটির নেতা-কর্মীদের। কয়েক হাজার মানুষ নগরীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়। এরপর বের হয় শোভাযাত্রা।

এর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতারা। এই বক্তব্যে সরকারের নানা সমালোচনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে কথা বলেন বিএনপি নেতারা।

এই আয়োজনে সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জঙ্গি যদি এদেশে সত্যি সত্যি এসে থাকে তাহলে গণতন্ত্রকে মুক্তি দিন, মিছিল-মিটিংকে মুক্তি দিন। তাহলে দেখবেন জঙ্গিরা মিছিল মিটিং এর ভিড়ে কোথায় চলে যায়।’ তিনি বলেন, ‘আর যদি আপনারা গণতন্ত্র মুক্তি না দেন, মিছিল-মিটিং এর অনুমতি না দেন, তাহলে মনে করবো জঙ্গি ধরার নামে নাটক চলছে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।তা না হলে এসব বন্ধ হবে না।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই বলে আসছিলাম, এ সমস্যা জাতীয় সমস্যা। এটিকে মোকাবেলা করতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের ডাকও দিয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সে ডাকে সাড়া দেয়নি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে যে বিদ্যমান সংকট আছে তা থেকে উত্তরণ লাভের একমাত্র পথ আলোচনার আবহ তৈরি করা। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে যাচ্ছেন। আপনি যদি দেশের মানুষের প্রাণের দাবি তিস্তা চুক্তি করে না আসতে পারেন, তাহলে আপনি দেশের সাধারণ মানুষকে মুখ দেখাতে পারবেন না।’

বক্তব্য শেষে বেলা পৌনে পৌনে তিনটার দিকে বিএনপির শোভাযাত্রা বের হয়। এতে নেতা-কর্মীরা হাতি, ঘোড়া, ‘গণতন্ত্রের কফিন’, মাটিতে রোপন করা ধানগাছ নিয়ে আসেন। মিছিলকে বিজয়নগর হয়ে কাকরাইল মোড় দিয়ে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

মিছিল-মিটিং করতে দেন, জঙ্গি থাকবে না: আব্বাস

আপডেট টাইম : ১১:৩৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০১৭

বর্তমান সরকার যদি বিএনপিকে ‘স্বাভাবিকভাবে’ সভা-সমাবেশ করতে দেয় তাহলে জঙ্গিবাদ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার অভিযোগ, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে বন্দী করে রেখেছে। এ কারণেই জঙ্গিবাদের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

৪৭তম স্বাধীনতা দিবসে রবিবার রাজধানীতে বিএনপির শোভযাত্রা পূর্বের সমাবেশে মির্জা আব্বাস এই কথা বলেন। সাম্প্রতিককালে বিএনপি রাজধানীতে সভা-সমাবেশের অনুমতি না পেলেও এই আয়োজন ছিল ব্যতিক্রম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো বাধা দেয়নি দলটির নেতা-কর্মীদের। কয়েক হাজার মানুষ নগরীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়। এরপর বের হয় শোভাযাত্রা।

এর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতারা। এই বক্তব্যে সরকারের নানা সমালোচনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে কথা বলেন বিএনপি নেতারা।

এই আয়োজনে সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জঙ্গি যদি এদেশে সত্যি সত্যি এসে থাকে তাহলে গণতন্ত্রকে মুক্তি দিন, মিছিল-মিটিংকে মুক্তি দিন। তাহলে দেখবেন জঙ্গিরা মিছিল মিটিং এর ভিড়ে কোথায় চলে যায়।’ তিনি বলেন, ‘আর যদি আপনারা গণতন্ত্র মুক্তি না দেন, মিছিল-মিটিং এর অনুমতি না দেন, তাহলে মনে করবো জঙ্গি ধরার নামে নাটক চলছে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।তা না হলে এসব বন্ধ হবে না।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই বলে আসছিলাম, এ সমস্যা জাতীয় সমস্যা। এটিকে মোকাবেলা করতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের ডাকও দিয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সে ডাকে সাড়া দেয়নি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে যে বিদ্যমান সংকট আছে তা থেকে উত্তরণ লাভের একমাত্র পথ আলোচনার আবহ তৈরি করা। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে যাচ্ছেন। আপনি যদি দেশের মানুষের প্রাণের দাবি তিস্তা চুক্তি করে না আসতে পারেন, তাহলে আপনি দেশের সাধারণ মানুষকে মুখ দেখাতে পারবেন না।’

বক্তব্য শেষে বেলা পৌনে পৌনে তিনটার দিকে বিএনপির শোভাযাত্রা বের হয়। এতে নেতা-কর্মীরা হাতি, ঘোড়া, ‘গণতন্ত্রের কফিন’, মাটিতে রোপন করা ধানগাছ নিয়ে আসেন। মিছিলকে বিজয়নগর হয়ে কাকরাইল মোড় দিয়ে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।