ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন সেমির আগে ইংল্যান্ডকে ‘দখলদার-জলদস্যু’ বললেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, আখেরী চাহার ১২ আগস্ট লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় ‘পাইলট জোন’ স্থাপনে সম্মতি ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শালা, তোদের জন্য আমাদের এই অবস্থা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৪৪৬ বার

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর আসামী নূর হোসেন এবং র‍্যাবের সাবেক তিনজন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক থাকতে দেখা গেছে। তবে রায় ঘোষণার পরপরই কয়েকজন কান্নায় ভেঙে পড়ে।

রায় পড়ার সময় নূর হোসেনের দুই সহযোগী কাঁদতে শুরু করলে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত এই নেতা তাদের ‘কিছু হবে না’ বলে সান্ত্বনাও দেন। ওইসময় র‌্যাবের সাবেক দুই অধস্তনকর্মী তাদের ‘এ পরিণতির জন্য’ সিনিয়র কর্মকর্তাদের দুষতে থাকেন। তাদের একজনকে তারেক সাঈদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, “শালা, তোদের জন্য আজকে আমাদের এই অবস্থা।”

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সকাল দশটার

পর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই রায় ঘোষণা শেষ হয়ে যায়। এই মামলায় মোট আসামী ৩৫ জন। তাদের মধ্যে যে ২৩ জন আটক রয়েছেন। তাদের সকলকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে সকাল সাড়ে ন’টার মধ্যে নিয়ে আসা হয় আদালতে।

তবে প্রধান চারজন আসামী সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‍্যাবের চাকরিচ্যুত তিনজন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানাকে আদালতে আনা হয় রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে। তাদেরকেও ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে আনা হয়েছিলো কিন্তু আদালতে ঢোকার সময় তাদের ডাণ্ডাবেরি খুলে দেওয়া হয়। নূর হোসেনকে আনা হয় মাথায় হেলমেট পরিয়ে।

আদালতে বিচারকের আসনের বাম পাশে তৈরি লোহার বিশাল একটি খাঁচায় নূর হোসেনসহ বেশিরভাগ আসামীকে রাখা হলেও র‍্যাবের সাবেক তিনজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছিলো খাঁচার বাইরে। ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ২৬ জনের মধ্যে ১৬ জনই পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাবের সদস্য ছিলেন। বাকি দশজনের মধ্যে রয়েছেন নূর হোসেন এবং তার সহযোগীরা।

মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের একজন স্থানীয় নেতা ছিলেন। সাত খুনের ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। মেজর তারেক সাঈদ মোহাম্মদ বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর জামাতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন

শালা, তোদের জন্য আমাদের এই অবস্থা

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৭

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর আসামী নূর হোসেন এবং র‍্যাবের সাবেক তিনজন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক থাকতে দেখা গেছে। তবে রায় ঘোষণার পরপরই কয়েকজন কান্নায় ভেঙে পড়ে।

রায় পড়ার সময় নূর হোসেনের দুই সহযোগী কাঁদতে শুরু করলে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত এই নেতা তাদের ‘কিছু হবে না’ বলে সান্ত্বনাও দেন। ওইসময় র‌্যাবের সাবেক দুই অধস্তনকর্মী তাদের ‘এ পরিণতির জন্য’ সিনিয়র কর্মকর্তাদের দুষতে থাকেন। তাদের একজনকে তারেক সাঈদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, “শালা, তোদের জন্য আজকে আমাদের এই অবস্থা।”

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সকাল দশটার

পর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই রায় ঘোষণা শেষ হয়ে যায়। এই মামলায় মোট আসামী ৩৫ জন। তাদের মধ্যে যে ২৩ জন আটক রয়েছেন। তাদের সকলকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে সকাল সাড়ে ন’টার মধ্যে নিয়ে আসা হয় আদালতে।

তবে প্রধান চারজন আসামী সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‍্যাবের চাকরিচ্যুত তিনজন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানাকে আদালতে আনা হয় রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে। তাদেরকেও ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে আনা হয়েছিলো কিন্তু আদালতে ঢোকার সময় তাদের ডাণ্ডাবেরি খুলে দেওয়া হয়। নূর হোসেনকে আনা হয় মাথায় হেলমেট পরিয়ে।

আদালতে বিচারকের আসনের বাম পাশে তৈরি লোহার বিশাল একটি খাঁচায় নূর হোসেনসহ বেশিরভাগ আসামীকে রাখা হলেও র‍্যাবের সাবেক তিনজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছিলো খাঁচার বাইরে। ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ২৬ জনের মধ্যে ১৬ জনই পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাবের সদস্য ছিলেন। বাকি দশজনের মধ্যে রয়েছেন নূর হোসেন এবং তার সহযোগীরা।

মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের একজন স্থানীয় নেতা ছিলেন। সাত খুনের ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। মেজর তারেক সাঈদ মোহাম্মদ বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর জামাতা।