ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

সোহরাওয়ার্দী না হলে পল্টনে অনুমতি চায় বিএনপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৩৭১ বার

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার বিএনপি’র সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। পুলিশ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত হ্যা-না কিছুই বলেনি। দলের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে সদুত্তর না পেয়ে ফিরে আসেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের বিষয়ে কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। বিকালে নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর বিএনপি সমাবেশের প্রস্তুতি সভা করেছে।

দলের নেতারা বলছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না দিতে পারলে নয়া পল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দিলেও তারা করবেন। তারা অল্প সময়ের নোটিসে সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার বিকেলে বিএনপির এই সমাবেশ হওয়ার কথা। এতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এই সমাবেশে বক্তব্য দিবেন। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে দলের পক্ষ থেকে গত ২৬ ডিসেম্বর গণপূর্ত বিভাগসহ পুলিশ প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়। গণপূর্ত বিভাগ শর্তসাপেক্ষ অনুমতি দিয়েছে। পুলিশের অনুমতি হয়নি।

জানা গেছে, গত বছর ৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছিল তারা। সেই সমাবেশের জন্য ১২ ঘণ্টা আগে১২ টি শর্তে অনুমতি দিয়েছিলো সরকার। দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, এবারো শর্ত সাপেক্ষ অনুমতি দিলেও আমাদের আপত্তি নেই। বিএনপির সমাবেশ হবে শান্তিপূর্ণ।

এদিকে জানা গেছে, আজ শেষ মুহূর্তে সমাবেশের অনুমতি না পেলে বিএনপি নতুন করে কর্মসূচির দিনক্ষণ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে শনিবার দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম জানান, দুপুরে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে জানতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কার্যালয়ে যায়। তবে তাঁরা ডিএমপি কমিশনারের সাক্ষাৎ পাননি। তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসেছেন। তারা ইতিবাচক কিছু বলতে পারেনি। তবে দলের নেতারা আশা করছেন, তারা শেষ মুহূর্তে সমাবেশের অনুমতি পাবেন।

এদিকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন,আমরা আশা করছি আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আপনারা আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই সভা করার অনুমতি দেবেন। এভাবে গণতন্ত্রকে সংকুচিত করবেন না; এভাবে দরজা জানলা বন্ধ করে দেবেন না। দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে। হাজারটা মত আসবে, পথ আসবে। সেখান থেকেই তো গণতন্ত্র বিকশিত হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছি, এখন পযর্ন্ত পাইনি। এখনও যদি অনুমতি দেন, জনসভা সফল করবো। সেখানে না দিয়ে যদি পার্টি অফিসের সামনে দেন, তাহলেও আমরা জনসভা সফল করতে পারবো। আমরা দু’টো প্রস্তাব-ই রাখছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ৫ জানুয়ারি সভা করিনি। ওই দিন চেয়ারপার্সনের মামলার হাজিরা ছিল। আমরা যে কোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে ৭ জানুয়ারি সভা করতে চেয়েছি। পিডব্লিউডি আমাদের অনুমতি দিয়েছে। পুলিশের অনুমতি পাইনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম সংসদ নির্বাচনের দিনকে ‘গণতন্ত্র হত‌্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে বিএনপি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সোহরাওয়ার্দী না হলে পল্টনে অনুমতি চায় বিএনপি

আপডেট টাইম : ১১:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৭

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার বিএনপি’র সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। পুলিশ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত হ্যা-না কিছুই বলেনি। দলের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে সদুত্তর না পেয়ে ফিরে আসেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের বিষয়ে কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। বিকালে নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর বিএনপি সমাবেশের প্রস্তুতি সভা করেছে।

দলের নেতারা বলছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না দিতে পারলে নয়া পল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দিলেও তারা করবেন। তারা অল্প সময়ের নোটিসে সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার বিকেলে বিএনপির এই সমাবেশ হওয়ার কথা। এতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এই সমাবেশে বক্তব্য দিবেন। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে দলের পক্ষ থেকে গত ২৬ ডিসেম্বর গণপূর্ত বিভাগসহ পুলিশ প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়। গণপূর্ত বিভাগ শর্তসাপেক্ষ অনুমতি দিয়েছে। পুলিশের অনুমতি হয়নি।

জানা গেছে, গত বছর ৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছিল তারা। সেই সমাবেশের জন্য ১২ ঘণ্টা আগে১২ টি শর্তে অনুমতি দিয়েছিলো সরকার। দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, এবারো শর্ত সাপেক্ষ অনুমতি দিলেও আমাদের আপত্তি নেই। বিএনপির সমাবেশ হবে শান্তিপূর্ণ।

এদিকে জানা গেছে, আজ শেষ মুহূর্তে সমাবেশের অনুমতি না পেলে বিএনপি নতুন করে কর্মসূচির দিনক্ষণ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে শনিবার দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম জানান, দুপুরে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে জানতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কার্যালয়ে যায়। তবে তাঁরা ডিএমপি কমিশনারের সাক্ষাৎ পাননি। তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসেছেন। তারা ইতিবাচক কিছু বলতে পারেনি। তবে দলের নেতারা আশা করছেন, তারা শেষ মুহূর্তে সমাবেশের অনুমতি পাবেন।

এদিকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন,আমরা আশা করছি আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আপনারা আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই সভা করার অনুমতি দেবেন। এভাবে গণতন্ত্রকে সংকুচিত করবেন না; এভাবে দরজা জানলা বন্ধ করে দেবেন না। দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে। হাজারটা মত আসবে, পথ আসবে। সেখান থেকেই তো গণতন্ত্র বিকশিত হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছি, এখন পযর্ন্ত পাইনি। এখনও যদি অনুমতি দেন, জনসভা সফল করবো। সেখানে না দিয়ে যদি পার্টি অফিসের সামনে দেন, তাহলেও আমরা জনসভা সফল করতে পারবো। আমরা দু’টো প্রস্তাব-ই রাখছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ৫ জানুয়ারি সভা করিনি। ওই দিন চেয়ারপার্সনের মামলার হাজিরা ছিল। আমরা যে কোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে ৭ জানুয়ারি সভা করতে চেয়েছি। পিডব্লিউডি আমাদের অনুমতি দিয়েছে। পুলিশের অনুমতি পাইনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম সংসদ নির্বাচনের দিনকে ‘গণতন্ত্র হত‌্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে বিএনপি।