জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তরুণ সমাজসেবক ও যুবদল নেতা মোশারফ হোসেন চৌধুরী। তিনি গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পদমশ্রী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মতিউর রহমান চৌধুরীর কৃতী সন্তান।
মোশারফ হোসেন চৌধুরী সাবেক ছাত্রনেতা এবং গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এলাকার অসহায় ও অবহেলিত মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং উঠান বৈঠক শুরু করেছেন। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে তার সমর্থকদের দাবি।
তরুণ ও উদীয়মান প্রার্থী হিসেবে মোশারফ হোসেন চৌধুরীকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, “আমি অনিয়ম করব না, আমার এলাকায় কোনো অনিয়ম করতেও দেব না। অনিয়ম ও দুর্নীতি হলে আমি সবসময় প্রতিবাদ করি। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে আসছি।”
তিনি আরও বলেন, “এবার আমি গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আশা করছি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যদি আমাকে তৌফিক দান করেন এবং ইউনিয়নবাসী যদি আমাকে সমর্থন করেন, তাহলে আমি নির্বাচনে অংশ নেব। নির্বাচিত হলে নীতি, আদর্শ ও সততার সঙ্গে গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নবাসীর সেবা করে যেতে চাই।”
দলীয় সমর্থনের বিষয়ে তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে সমর্থন দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হব। নির্বাচিত হলে গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যোগ্য ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার পথ সুগম হবে।
Reporter Name 























