ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮ বার

ফ্যামিলি কার্ডের লোভ দেখিয়ে বৃদ্ধাকে (৬০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ওই যুবকের নাম বশির মিয়া। স্থানীয় জনতা বশিরকে আটক করে প্রথমে সুপারি গাছে বেঁধে রাখে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার দুপুরে বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বশিরের বাবার নাম নয়া মিয়া। তাদের বাড়ি উপজেলার মরা নিদ্রা গ্রামে।

বশির শনিবার দুপুরে বাঁশ কেনার জন্য গ্রাম এলাকায় যায়। এ সময় বৃদ্ধাকে বাড়িতে একা পেয়ে তাকে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেছেন ভিকটিম নিজে। অপকর্মের সময় ওই নারীর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসেন। বশির পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে বেঁধে রেখে তালতলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বশির তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।

বৃদ্ধা কান্নাজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘মোর মান-ইজ্জতের কিছুই রইল না। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি ভাতা দেওয়ার কতা কইয়্যা মোর সর্বনাশ হরছে। মুই এইয়্যার বিচার চাই।’

এদিকে বশির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলেছি, কিন্তু তার সঙ্গে খারাপ কাজ করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।

তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বাঁশ ক্রয়ের কথা বলে এক বৃদ্ধার সঙ্গে অনৈতিক কাজের ঘটনায় বশির নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ

আপডেট টাইম : ১১:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের লোভ দেখিয়ে বৃদ্ধাকে (৬০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ওই যুবকের নাম বশির মিয়া। স্থানীয় জনতা বশিরকে আটক করে প্রথমে সুপারি গাছে বেঁধে রাখে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার দুপুরে বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বশিরের বাবার নাম নয়া মিয়া। তাদের বাড়ি উপজেলার মরা নিদ্রা গ্রামে।

বশির শনিবার দুপুরে বাঁশ কেনার জন্য গ্রাম এলাকায় যায়। এ সময় বৃদ্ধাকে বাড়িতে একা পেয়ে তাকে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেছেন ভিকটিম নিজে। অপকর্মের সময় ওই নারীর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসেন। বশির পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে বেঁধে রেখে তালতলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বশির তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।

বৃদ্ধা কান্নাজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘মোর মান-ইজ্জতের কিছুই রইল না। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি ভাতা দেওয়ার কতা কইয়্যা মোর সর্বনাশ হরছে। মুই এইয়্যার বিচার চাই।’

এদিকে বশির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলেছি, কিন্তু তার সঙ্গে খারাপ কাজ করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।

তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বাঁশ ক্রয়ের কথা বলে এক বৃদ্ধার সঙ্গে অনৈতিক কাজের ঘটনায় বশির নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।