ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ভাসানটেক-কড়াইল-সাততলা বস্তির প্রায় ১ হাজার মানুষ ক্লাব বদলাতে ব্যর্থ হয়ে এজেন্টকে ছাঁটাই করলেন মার্তিনেজ লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় মধুপুর পীর সাহেবের কড়া প্রতিবাদ ও হুঁশিয়ারি হংকংয়ে ২০০ কোটি ডলারের তহবিল গঠন করবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্য জড়িত থাকলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচল এক্সিলারেট, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ: একদিন আগেই এলো এলএনজিবাহী জাহাজ পরীমণির গাড়ি বিতর্কে আলোচিত ‘মাসরুর’ পুতুলের সাবেক স্বামী ১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ নারী কলকাতার সেই হোটেল ‘শিখা ইন’ এর মালিক গ্রেপ্তার তুরস্কের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে ইসরায়েল, যুদ্ধ কি সত্যিই আসছে

কলকাতার সেই হোটেল ‘শিখা ইন’ এর মালিক গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার

বেহালা থেকে গ্রেপ্তার হলেন নিউ মার্কেটের সেই ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্র। মঙ্গলবার রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের গাড়িতে চেপে কলকাতা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। শনিবারই বেহালার ডায়মন্ড হারবার রোডের বাড়িতে ফিরেছেন বীরেশ্বর। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন তিনি পালিয়ে গিয়েও আবার নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘটনার পর থেকেই বীরেশ্বরের খোঁজ করছিল পুলিশ। তার দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সেই অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তদন্তকারীদের একাংশ মনে করছেন, হাতে নগদের অভাব হওয়ায় তিনি ধানবাদ থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েক জন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে সাহায্য নিয়েছিলেন তিনি। তাকে জেরার পরেই স্পষ্ট এ সব বিষয় স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ মার্কেট এলাকার হোটেল ‘শিখা ইন’-এ আগুন লাগে। প্রাণ যায় নয়জনের। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক। অভিযোগ, মাত্র ১১০০ বর্গফুট জায়গায় পাঁচটি ঘর, প্রত্যেকটির সঙ্গে লাগোয়া স্নানঘর তৈরি করা হয়েছিল। অগ্নিনির্বাপণের কোনও নিয়ম মানা হয়নি। ঘটনার পরেই বীরেশ্বরের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। নিউ মার্কেট এলাকা ছাড়াও দিঘা এবং মন্দারমণি— এই দুই জায়গায় বীরেশ্বরের দুটি হোটেল রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ।

শুক্রবার সেখানেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে বীরেশ্বরকে পাওয়া যায়নি। তদন্তে জানা যায়, বুধবার ভোরে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন তিনি। তার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল। অবশেষে শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় বীরেশ্বরকে।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সক্রিয় প্রশাসন। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে নিউ মার্কেট এলাকায় ১১টি হোটেল বন্ধ করে দিয়েছে পৌরসভা ও দমকলের যৌথ কমিটি। শনিবার আরও ছটি বন্ধ করা হয় বলে জানান রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার নিউ মার্কেট এলাকার ১৭টি হোটেলকে শোকজ করে দমকল। ‘শিখা ইন’-এর যে অংশে আগুন লাগে, সেটি ছাড়া তার আরও একটি অংশ ওই ভবনেরই পাঁচতলায় ছিল। দ্বিতীয় অংশটি বীরেশ্বরের থেকে উমেশ সিংহ এবং জিতেন সিংহ নামে দুজন লিজ  নিয়েছিলেন। শুক্রবার তাদের জেরা করা হয়। হোটেলের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আবু জাফরকে। তিনি মালিক বীরেশ্বরের থেকে ‘শিখা ইন’ হোটেলটি লিজ নিয়েছিলেন। মাসিক ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে।

খবর: আনন্দবাজার ডট কম

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ভাসানটেক-কড়াইল-সাততলা বস্তির প্রায় ১ হাজার মানুষ

কলকাতার সেই হোটেল ‘শিখা ইন’ এর মালিক গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বেহালা থেকে গ্রেপ্তার হলেন নিউ মার্কেটের সেই ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্র। মঙ্গলবার রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের গাড়িতে চেপে কলকাতা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। শনিবারই বেহালার ডায়মন্ড হারবার রোডের বাড়িতে ফিরেছেন বীরেশ্বর। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন তিনি পালিয়ে গিয়েও আবার নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘটনার পর থেকেই বীরেশ্বরের খোঁজ করছিল পুলিশ। তার দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সেই অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তদন্তকারীদের একাংশ মনে করছেন, হাতে নগদের অভাব হওয়ায় তিনি ধানবাদ থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েক জন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে সাহায্য নিয়েছিলেন তিনি। তাকে জেরার পরেই স্পষ্ট এ সব বিষয় স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ মার্কেট এলাকার হোটেল ‘শিখা ইন’-এ আগুন লাগে। প্রাণ যায় নয়জনের। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক। অভিযোগ, মাত্র ১১০০ বর্গফুট জায়গায় পাঁচটি ঘর, প্রত্যেকটির সঙ্গে লাগোয়া স্নানঘর তৈরি করা হয়েছিল। অগ্নিনির্বাপণের কোনও নিয়ম মানা হয়নি। ঘটনার পরেই বীরেশ্বরের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। নিউ মার্কেট এলাকা ছাড়াও দিঘা এবং মন্দারমণি— এই দুই জায়গায় বীরেশ্বরের দুটি হোটেল রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ।

শুক্রবার সেখানেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে বীরেশ্বরকে পাওয়া যায়নি। তদন্তে জানা যায়, বুধবার ভোরে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন তিনি। তার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল। অবশেষে শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় বীরেশ্বরকে।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সক্রিয় প্রশাসন। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে নিউ মার্কেট এলাকায় ১১টি হোটেল বন্ধ করে দিয়েছে পৌরসভা ও দমকলের যৌথ কমিটি। শনিবার আরও ছটি বন্ধ করা হয় বলে জানান রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার নিউ মার্কেট এলাকার ১৭টি হোটেলকে শোকজ করে দমকল। ‘শিখা ইন’-এর যে অংশে আগুন লাগে, সেটি ছাড়া তার আরও একটি অংশ ওই ভবনেরই পাঁচতলায় ছিল। দ্বিতীয় অংশটি বীরেশ্বরের থেকে উমেশ সিংহ এবং জিতেন সিংহ নামে দুজন লিজ  নিয়েছিলেন। শুক্রবার তাদের জেরা করা হয়। হোটেলের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আবু জাফরকে। তিনি মালিক বীরেশ্বরের থেকে ‘শিখা ইন’ হোটেলটি লিজ নিয়েছিলেন। মাসিক ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে।

খবর: আনন্দবাজার ডট কম