ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মির্জা ফখরুলের শূন্য আসনে— ভাই, মেয়ে নাকি স্বতন্ত্র কেউ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার
বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। প্রশ্ন উঠেছে এ আসনে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি কে হচ্ছেন— তার ভাই না মেয়ে? নতুন মুখ কে আসবে সামনে? অর্থাৎ মির্জা পরিবারের হাল ধরবেন কে? আলোচনায় আছেন মির্জা ফখরুলের আপন ছোট ভাই ও তার বড় মেয়ে। যদিও এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই নেবেন বলে জানা গেছে।
স্বাভাবিক নিয়মে তার সংসদীয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে এই মুহূর্তে দুজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন— জেলা বিএনপির সভাপতি ও মির্জা আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন এবং মির্জা আলমগীরের বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা সময়ের আলোকে বলেন, আর কয়েক দিন গেলে শূন্য আসনে প্রার্থিতার বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। তবে ৫ আগস্টের পর মির্জা ফয়সাল আমিনকে নিয়ে এলাকাবাসী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পটপরিবর্তনে এলাকায় বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে সমালোচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই। আর মেয়ে সেই অর্থে রাজনীতির মাঠে পা রাখেননি এখন পর্যন্ত।
মির্জা ফখরুলের ঘনিষ্ঠ এক নেতা সময়ের আলোকে বলেন, কে তার আসনে প্রার্থী হবেন— তা ফখরুল স্যার নিজেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এর দায়িত্ব ফখরুল স্যারকেই দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সম্মানার্থে এখানে দল গতানুগতিক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যাবে না। তার মেয়েকে রাজনীতিতে আনলে তার মতো ক্লিন ইমেজের নেতা পাবে ঠাকুরগাঁওবাসী। যদিও তার ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন অন্য কাউকে প্রার্থী মেনে নেন কি না সেটিও দেখার বিষয়। কারণ অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তো আছেই। তবে এটি নিশ্চিত মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি মির্জা পরিবারের বাইরে যাবে না।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকায়। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন এবং মা মির্জা ফাতেমা আমিন। বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন একজন আইনজীবী। তিনি দুবার পাকিস্তান প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। ছিলেন এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য।
বাবার মতো রাজনীতির পথ ধরলেও তিনি জাতীয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেন আবদুল হামিদ খান ভাসানীর দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপে। সেখান থেকে শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি ছেড়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে যোগ দেন। মির্জা ফখরুল ১৯৯০ সালে যোগদান করেন বিএনপিতে। ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং পরে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হন। তারপর ধাপে ধাপে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে উঠে আসেন।
২০১১ সাল থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। সেই থেকে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন কৃষক ফ্রন্ট থেকে আসা এই নেতা। বিএনপির নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে আসার আগে মির্জা ফখরুল দলের কৃষক সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রথম সহ-সভাপতি এবং পরে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন, বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে অবসরে গেছেন। দুই মেয়ে শামারুহ মির্জা ও সাফারুহ মির্জাকে নিয়ে তাদের সংসার।
বড় মেয়ে শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং এ প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি। ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।
জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, সারা দেশের মানুষ আনন্দিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন এবং কারাবরণও করেছেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতি হয়েছেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের গর্ব। জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন বলেন, এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। তবে এই আনন্দ শুধু পরিবারের নয়, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষের।
দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য মির্জা ফখরুল রাজনীতি করেছেন উল্লেখ করে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা চান তিনি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়লার ভাগাড় থেকে প্রাণ ফিরছে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে

মির্জা ফখরুলের শূন্য আসনে— ভাই, মেয়ে নাকি স্বতন্ত্র কেউ

আপডেট টাইম : ০২:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। প্রশ্ন উঠেছে এ আসনে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি কে হচ্ছেন— তার ভাই না মেয়ে? নতুন মুখ কে আসবে সামনে? অর্থাৎ মির্জা পরিবারের হাল ধরবেন কে? আলোচনায় আছেন মির্জা ফখরুলের আপন ছোট ভাই ও তার বড় মেয়ে। যদিও এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই নেবেন বলে জানা গেছে।
স্বাভাবিক নিয়মে তার সংসদীয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে এই মুহূর্তে দুজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন— জেলা বিএনপির সভাপতি ও মির্জা আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন এবং মির্জা আলমগীরের বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা সময়ের আলোকে বলেন, আর কয়েক দিন গেলে শূন্য আসনে প্রার্থিতার বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। তবে ৫ আগস্টের পর মির্জা ফয়সাল আমিনকে নিয়ে এলাকাবাসী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পটপরিবর্তনে এলাকায় বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে সমালোচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই। আর মেয়ে সেই অর্থে রাজনীতির মাঠে পা রাখেননি এখন পর্যন্ত।
মির্জা ফখরুলের ঘনিষ্ঠ এক নেতা সময়ের আলোকে বলেন, কে তার আসনে প্রার্থী হবেন— তা ফখরুল স্যার নিজেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এর দায়িত্ব ফখরুল স্যারকেই দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সম্মানার্থে এখানে দল গতানুগতিক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যাবে না। তার মেয়েকে রাজনীতিতে আনলে তার মতো ক্লিন ইমেজের নেতা পাবে ঠাকুরগাঁওবাসী। যদিও তার ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন অন্য কাউকে প্রার্থী মেনে নেন কি না সেটিও দেখার বিষয়। কারণ অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তো আছেই। তবে এটি নিশ্চিত মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি মির্জা পরিবারের বাইরে যাবে না।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকায়। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন এবং মা মির্জা ফাতেমা আমিন। বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন একজন আইনজীবী। তিনি দুবার পাকিস্তান প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। ছিলেন এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য।
বাবার মতো রাজনীতির পথ ধরলেও তিনি জাতীয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেন আবদুল হামিদ খান ভাসানীর দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপে। সেখান থেকে শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি ছেড়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে যোগ দেন। মির্জা ফখরুল ১৯৯০ সালে যোগদান করেন বিএনপিতে। ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং পরে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হন। তারপর ধাপে ধাপে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে উঠে আসেন।
২০১১ সাল থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। সেই থেকে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন কৃষক ফ্রন্ট থেকে আসা এই নেতা। বিএনপির নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে আসার আগে মির্জা ফখরুল দলের কৃষক সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রথম সহ-সভাপতি এবং পরে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন, বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে অবসরে গেছেন। দুই মেয়ে শামারুহ মির্জা ও সাফারুহ মির্জাকে নিয়ে তাদের সংসার।
বড় মেয়ে শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং এ প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি। ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।
জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, সারা দেশের মানুষ আনন্দিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন এবং কারাবরণও করেছেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতি হয়েছেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের গর্ব। জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন বলেন, এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। তবে এই আনন্দ শুধু পরিবারের নয়, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষের।
দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য মির্জা ফখরুল রাজনীতি করেছেন উল্লেখ করে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা চান তিনি।