ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ বার

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের সেনা আইনে বিচারের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দফতর পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগে মোজাফফর হোসেনের অন্যান্য সহযোগীদের বিচার সামরিক আদালতে হয়েছে। সেই বিচারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ (ফাইন্ডিংস) রয়েছে। এই মামলায় আগে যারা দণ্ডিত (কনভিক্টেড) বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর (এক্সিকিউটেড) হয়েছেন, সেই রায়ের আলোকে তার বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ (ফাইন্ডিংস) রয়েছে কি না, তা জেনারেল কোর্ট মার্শাল সংশ্লিষ্ট আইনে বিবেচনা করবে। এখনই তাকে সিভিল আইনে নতুন করে একই মামলায় অভিযুক্ত করা আইনসম্মত হবে কি না, সেটিও তখনই নির্ধারণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। সরকারের নির্দেশে সামরিক হেলিকপ্টারে করে রোববার তাকে ঢাকায় আনা হয়।

এর আগে, ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মোজাফফর হোসেন। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতও করতেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। সামরিক ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়। তবে পালিয়ে যান মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর খালেদ।

অন্যদিকে, পুশইন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা একজনকেও অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন হতে দিইনি। আমাদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং জনগণের সহায়তায় সফলভাবে এখন পর্যন্ত তা ঠেকাতে সক্ষম হয়েছি। কিছু অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাশ্ববর্তী দেশে যদি কোনো বাংলাদেশের নাগরিক থাকেন, তবে তাদের তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক দিতে হবে। তাদের জাতীয়তা যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। তাছাড়া অন্য কোনো উপায়ে কাউকে এখানে অনুমতি দেওয়া হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের সেনা আইনে বিচারের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দফতর পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগে মোজাফফর হোসেনের অন্যান্য সহযোগীদের বিচার সামরিক আদালতে হয়েছে। সেই বিচারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ (ফাইন্ডিংস) রয়েছে। এই মামলায় আগে যারা দণ্ডিত (কনভিক্টেড) বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর (এক্সিকিউটেড) হয়েছেন, সেই রায়ের আলোকে তার বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ (ফাইন্ডিংস) রয়েছে কি না, তা জেনারেল কোর্ট মার্শাল সংশ্লিষ্ট আইনে বিবেচনা করবে। এখনই তাকে সিভিল আইনে নতুন করে একই মামলায় অভিযুক্ত করা আইনসম্মত হবে কি না, সেটিও তখনই নির্ধারণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। সরকারের নির্দেশে সামরিক হেলিকপ্টারে করে রোববার তাকে ঢাকায় আনা হয়।

এর আগে, ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মোজাফফর হোসেন। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতও করতেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। সামরিক ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়। তবে পালিয়ে যান মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর খালেদ।

অন্যদিকে, পুশইন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা একজনকেও অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন হতে দিইনি। আমাদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং জনগণের সহায়তায় সফলভাবে এখন পর্যন্ত তা ঠেকাতে সক্ষম হয়েছি। কিছু অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাশ্ববর্তী দেশে যদি কোনো বাংলাদেশের নাগরিক থাকেন, তবে তাদের তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক দিতে হবে। তাদের জাতীয়তা যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। তাছাড়া অন্য কোনো উপায়ে কাউকে এখানে অনুমতি দেওয়া হবে না।