ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

গ্রামে লোডশেডিং কেন হচ্ছে, জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ বার

গ্রামে লোডশেডিং থাকলেও তা আগের চেয়ে কম বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘গ্রামে-গঞ্জে যে লোডশেডিং হচ্ছে, এটা বেশির ভাগই টেকনিক্যাল (কারিগরি) কারণে, বিদ্যুতের শর্টেজের (ঘাটতি) জন্য নয়। এটা আমরা ঠিক করার চেষ্টা করছি।’

আজ সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘শতভাগ বিদ্যুতায়ন করতে গিয়ে অপরিকল্পিতভাবে যে লাইনগুলো করা হয়েছে, সেখানে যখনই লোড বেশি দেওয়া হয়, তখন লাইনগুলোতে সমস্যা হয় এবং ওই এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ চলে যায়।

এ সমস্যার সমাধানে পল্লী বিদ্যুৎকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলেও জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সমস্যা দূর হতে সময় লাগবে।

অনুষ্ঠানে গরমে বিদুৎ বিল বেশি আসার পেছনে অসাধু কর্মকর্তারা দায়ী কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সংলাপে আর্থিক সংকট থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উত্তরণের প্রধান উপায় হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা বলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি আমদানি কমাতে পারলেই সরকার বিপুল অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে। এ অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া দায় মেটানো সম্ভব হবে।

এ লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের জন্য কৃষিজমি ব্যবহারের ব্যাপারে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, এ কারণে প্রকল্পের জন্য পতিত বা অনাবাদি জমিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভুঁইয়া। এতে আরও বক্তব্য দেন- ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

গ্রামে লোডশেডিং কেন হচ্ছে, জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৫৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

গ্রামে লোডশেডিং থাকলেও তা আগের চেয়ে কম বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘গ্রামে-গঞ্জে যে লোডশেডিং হচ্ছে, এটা বেশির ভাগই টেকনিক্যাল (কারিগরি) কারণে, বিদ্যুতের শর্টেজের (ঘাটতি) জন্য নয়। এটা আমরা ঠিক করার চেষ্টা করছি।’

আজ সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘শতভাগ বিদ্যুতায়ন করতে গিয়ে অপরিকল্পিতভাবে যে লাইনগুলো করা হয়েছে, সেখানে যখনই লোড বেশি দেওয়া হয়, তখন লাইনগুলোতে সমস্যা হয় এবং ওই এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ চলে যায়।

এ সমস্যার সমাধানে পল্লী বিদ্যুৎকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলেও জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সমস্যা দূর হতে সময় লাগবে।

অনুষ্ঠানে গরমে বিদুৎ বিল বেশি আসার পেছনে অসাধু কর্মকর্তারা দায়ী কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সংলাপে আর্থিক সংকট থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উত্তরণের প্রধান উপায় হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা বলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি আমদানি কমাতে পারলেই সরকার বিপুল অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে। এ অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া দায় মেটানো সম্ভব হবে।

এ লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের জন্য কৃষিজমি ব্যবহারের ব্যাপারে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, এ কারণে প্রকল্পের জন্য পতিত বা অনাবাদি জমিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভুঁইয়া। এতে আরও বক্তব্য দেন- ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির প্রমুখ।