ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৩ বার

কৃষক কার্ড চালুর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা আর সুবিধা নিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।

‎তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। ফলে কোন অঞ্চলে কী ফসল উৎপাদন হয় তা আমরা জানতে পারবো। যেসব এলাকায় আলুর ফলন বেশি তাদেরকে চাহিদার পরিমাণ আগেই জানিয়ে দিতে পারবো। তখন কৃষকেরা সে অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারবে। এভাবে যোগান ও চাহিদার সামঞ্জস্য থাকলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা আর নিতে পারবে না।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

‎তিনি বলেন, একেক মৌসুমে একেক সবজি বেশি উৎপাদিত হয়। অনকে সময় বেশি উৎপাদনের কারণে সবজির দাম পাওয়া যায় না। দেখা যায়, কৃষকের ক্ষেতে টমেটো আছে। কিন্তু দাম না পাওয়ায় টমেটো তুলে না। কারণ ক্ষেত থেকে নিয়ে বাজারে নিতে যে খরচ সেটিও পাওয়া যায় না। এতে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে মিনি কোল্ডস্টোরেজ করার কথা ভাবছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কনসেপ্ট থেকে এগুলো করা হবে। এসব কোল্ডস্টোরেজ সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলবে। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

‎কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দরকার। তাই কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিকে আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু করেছে। এই কার্ডের আওতায় শুধু ধান, গম বা পাটচাষিই নন; লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। এতে প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা, উৎপাদনের ধরন ও ফসলভিত্তিক তথ্য সরকারের কাছে থাকবে। ভবিষ্যতে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য সরকারি সহায়তাও এই কার্ডের মাধ্যমেই প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়া ও দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দাদননির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ইলিশ রফতানি বাড়ানোও সরকারের লক্ষ্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

কৃষক কার্ড চালুর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা আর সুবিধা নিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।

‎তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। ফলে কোন অঞ্চলে কী ফসল উৎপাদন হয় তা আমরা জানতে পারবো। যেসব এলাকায় আলুর ফলন বেশি তাদেরকে চাহিদার পরিমাণ আগেই জানিয়ে দিতে পারবো। তখন কৃষকেরা সে অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারবে। এভাবে যোগান ও চাহিদার সামঞ্জস্য থাকলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা আর নিতে পারবে না।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

‎তিনি বলেন, একেক মৌসুমে একেক সবজি বেশি উৎপাদিত হয়। অনকে সময় বেশি উৎপাদনের কারণে সবজির দাম পাওয়া যায় না। দেখা যায়, কৃষকের ক্ষেতে টমেটো আছে। কিন্তু দাম না পাওয়ায় টমেটো তুলে না। কারণ ক্ষেত থেকে নিয়ে বাজারে নিতে যে খরচ সেটিও পাওয়া যায় না। এতে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে মিনি কোল্ডস্টোরেজ করার কথা ভাবছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কনসেপ্ট থেকে এগুলো করা হবে। এসব কোল্ডস্টোরেজ সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলবে। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

‎কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দরকার। তাই কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিকে আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু করেছে। এই কার্ডের আওতায় শুধু ধান, গম বা পাটচাষিই নন; লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। এতে প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা, উৎপাদনের ধরন ও ফসলভিত্তিক তথ্য সরকারের কাছে থাকবে। ভবিষ্যতে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য সরকারি সহায়তাও এই কার্ডের মাধ্যমেই প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়া ও দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দাদননির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ইলিশ রফতানি বাড়ানোও সরকারের লক্ষ্য।