য়ে উঠছেন খাদিজাখাদিজার অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছে সিআরপি কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, খাদিজাকে পুরোপুরি সুস্থ করার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন। শফিকুল ইসলাম আরো জানান, খাদিজাকে সিআরপিতে আনার পর পরই একটি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে তার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা নিয়ে তার চিকিৎসা চলছে। তিনি শিগগিরই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করছেন সিআরপির এ কর্মকর্তা।
এদিকে খাদিজা এখন চিকিৎসকদের সহযোগিতায় পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন। বামদিকের অবশ হাত ও পা সচল হয়ে উঠছে। ফিজিওথেরাপিস্টরা তাকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটার প্র্যাকটিস করাচ্ছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর কড়া নির্দেশনা তার সঙ্গে দেখা করা যাবে না। তবে তিনি সর্বক্ষণ তার ঘনিষ্ঠ স্বজনদের তত্ত্বাবধানেই থাকছেন।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর পরীক্ষা দিতে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে যান সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস। বিকেলে পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক (বহিষ্কৃত) বদরুল আলম। পরে অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় খাদিজাকে প্রথমে সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। এখানে তিন দফা অস্ত্রোপচারের পর অনেকটা সুস্থ হলেও খাদিজা শরীরের বাঁ পাশে স্বাভাবিক সাড়া পাচ্ছিলেন না। এ কারণে ২৮ নভেম্বর থেকে সাভারের সিআরপিতে নেয়া হয়।
Reporter Name 

























