ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মদনে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ২৬ বার
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিভিন্ন মামলা জটিলতার কারণে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়াও ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে ঝুলে রয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালীর ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি। সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আদালতপাড়ায় গিয়ে এসব মামলার জটিলতা নিরসনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলাগুলো আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসছে না। ফলে সারা দেশে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু শিক্ষক নিয়োগই নয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ এবং কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগও মামলার কারণে আটকে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দফতরি-কাম-নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রমও একই কারণে স্থগিত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হচ্ছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন; যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। দেশে ইতিমধ্যে আরো প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। কিন্তু পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলার কারণে অনেক যোগ্য শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হওয়ার আগেই অবসরে চলে যাচ্ছেন।
মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে এমন বহু শিক্ষক রয়েছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলির বিষয়ে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত দায়িত্ব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।’
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মদনে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৫৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিভিন্ন মামলা জটিলতার কারণে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়াও ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে ঝুলে রয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালীর ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি। সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আদালতপাড়ায় গিয়ে এসব মামলার জটিলতা নিরসনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলাগুলো আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসছে না। ফলে সারা দেশে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু শিক্ষক নিয়োগই নয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ এবং কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগও মামলার কারণে আটকে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দফতরি-কাম-নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রমও একই কারণে স্থগিত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হচ্ছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন; যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। দেশে ইতিমধ্যে আরো প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। কিন্তু পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলার কারণে অনেক যোগ্য শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হওয়ার আগেই অবসরে চলে যাচ্ছেন।
মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে এমন বহু শিক্ষক রয়েছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলির বিষয়ে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত দায়িত্ব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।’