ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

বিশ্ব মা দিবস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৩০ বার

বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ডাক ‘মা’। জন্মের পর সব থেকে বেশিবার উচ্চারিত হয় ‘মা’। আর এ শব্দটির মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে গভীর স্নেহ, মমতা আর অকৃত্রিম দরদ।

পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ এই দিনটি প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হয়। সেই হিসেবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে ১০ মে।

সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান, ত্যাগ, ভালোবাসা ও সংগ্রামকে স্মরণ করতেই বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মা দিবস উপলক্ষে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক নানা আয়োজন করা হয়েছে।

কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ উপহার দিচ্ছেন, আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন।

বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবস পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী।

জানা যায়, ভার্জিনিয়ায় অ্যান নামে এক শান্তিবাদী সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি কাজ করতেন নারী অধিকার নিয়ে। ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ নামে একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। অ্যানের একটি কন্যাসন্তান ছিল, যার নাম আনা মারিয়া রিভস জারভিস। একদিন ছোট্ট মেয়ের সামনেই অ্যান হাত জোর করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রার্থনা করি, একদিন কেউ না কেউ, মায়েদের জন্য একটা দিন উৎসর্গ করুক। কারণ তারা প্রতিদিন মনুষ্যত্বের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে চলেছেন। এটি তাদের অধিকার।’

১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস মারা গেলে, তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃ দিবস হিসেবে পালন করেন।

এরপর, ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করেন। এরপর থেকে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস হিসাবে উদযাপন করে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ।

মা দিবসের মূল বার্তা হলো মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও স্নেহের প্রতি সম্মান জানানো। এই দিনে আমরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটিকে মনে করি, যিনি আমাদের প্রথম শিক্ষক, অভিভাবক ও বন্ধু।

তাই বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়েরাই যেন সুখী থাকেন, সন্তান হিসেবে এই যেন হয় আমাদের সবার প্রত্যাশা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

বিশ্ব মা দিবস

আপডেট টাইম : ১১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ডাক ‘মা’। জন্মের পর সব থেকে বেশিবার উচ্চারিত হয় ‘মা’। আর এ শব্দটির মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে গভীর স্নেহ, মমতা আর অকৃত্রিম দরদ।

পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ এই দিনটি প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হয়। সেই হিসেবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে ১০ মে।

সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান, ত্যাগ, ভালোবাসা ও সংগ্রামকে স্মরণ করতেই বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মা দিবস উপলক্ষে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক নানা আয়োজন করা হয়েছে।

কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ উপহার দিচ্ছেন, আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন।

বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবস পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী।

জানা যায়, ভার্জিনিয়ায় অ্যান নামে এক শান্তিবাদী সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি কাজ করতেন নারী অধিকার নিয়ে। ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ নামে একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। অ্যানের একটি কন্যাসন্তান ছিল, যার নাম আনা মারিয়া রিভস জারভিস। একদিন ছোট্ট মেয়ের সামনেই অ্যান হাত জোর করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রার্থনা করি, একদিন কেউ না কেউ, মায়েদের জন্য একটা দিন উৎসর্গ করুক। কারণ তারা প্রতিদিন মনুষ্যত্বের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে চলেছেন। এটি তাদের অধিকার।’

১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস মারা গেলে, তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃ দিবস হিসেবে পালন করেন।

এরপর, ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করেন। এরপর থেকে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস হিসাবে উদযাপন করে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ।

মা দিবসের মূল বার্তা হলো মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও স্নেহের প্রতি সম্মান জানানো। এই দিনে আমরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটিকে মনে করি, যিনি আমাদের প্রথম শিক্ষক, অভিভাবক ও বন্ধু।

তাই বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়েরাই যেন সুখী থাকেন, সন্তান হিসেবে এই যেন হয় আমাদের সবার প্রত্যাশা।