ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের নির্ভুল তালিকা তৈরি হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার

স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না হওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার শহীদের একটি নির্ভুল ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের সকল শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, গেজেটের মধ্যে শহীদ বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা তিন হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ এক হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি সদস্য ৮১৭ জন, শহীদ পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ৪২৩ জন ও শহীদ আনসার বাহিনীর এক জন সদস্য রয়েছেন।

এ ছাড়া বিএনপি দলীয় সদস্য (কুমিল্লা-৯) আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ২০১০ থেকে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট (লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা) বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৪৮১ জনের নাম।

অনিয়মকারী ২ হাজার সার ডিলারের কপাল পুড়ছে
অন্যদিকে সার সরবরাহ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (সিরাজগঞ্জ-৪) রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, কৃষকদের মধ্যে সঠিক সময়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ চালু রাখতে দেশে ১১ হাজার ৫ জন সার ডিলারের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ এস এম জিলানীর প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান সার ডিলারের মধ্যে বিসিআইসির নিয়োগ করা ৫ হাজার ৬৬৯ জন ও বিএডিসির ৫ হাজার ৩৩৬ জন। সরকার তথ্য সংগ্রহ করে নানা অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত দুই হাজার ৩১১ জনের তালিকা তৈরি করেছে। অভিযুক্তদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী জানান, অনিয়মের মাত্রা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে ডিলারশিপ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হবে।

এ ছাড়া আরেকটি প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, ইট ভাটার ব্যবহারের জন্য ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি কাটার প্রভাবে ১৫ হাজার ৪৫০ একর জমি আবাদ অযোগ্য হয়ে পড়ছে।

সংসদে জামালপুর-২ আসনের এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণ এবং দুই কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের নির্ভুল তালিকা তৈরি হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না হওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার শহীদের একটি নির্ভুল ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের সকল শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, গেজেটের মধ্যে শহীদ বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা তিন হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ এক হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি সদস্য ৮১৭ জন, শহীদ পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ৪২৩ জন ও শহীদ আনসার বাহিনীর এক জন সদস্য রয়েছেন।

এ ছাড়া বিএনপি দলীয় সদস্য (কুমিল্লা-৯) আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ২০১০ থেকে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট (লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা) বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৪৮১ জনের নাম।

অনিয়মকারী ২ হাজার সার ডিলারের কপাল পুড়ছে
অন্যদিকে সার সরবরাহ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (সিরাজগঞ্জ-৪) রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, কৃষকদের মধ্যে সঠিক সময়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ চালু রাখতে দেশে ১১ হাজার ৫ জন সার ডিলারের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ এস এম জিলানীর প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান সার ডিলারের মধ্যে বিসিআইসির নিয়োগ করা ৫ হাজার ৬৬৯ জন ও বিএডিসির ৫ হাজার ৩৩৬ জন। সরকার তথ্য সংগ্রহ করে নানা অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত দুই হাজার ৩১১ জনের তালিকা তৈরি করেছে। অভিযুক্তদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী জানান, অনিয়মের মাত্রা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে ডিলারশিপ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হবে।

এ ছাড়া আরেকটি প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, ইট ভাটার ব্যবহারের জন্য ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি কাটার প্রভাবে ১৫ হাজার ৪৫০ একর জমি আবাদ অযোগ্য হয়ে পড়ছে।

সংসদে জামালপুর-২ আসনের এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণ এবং দুই কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।