ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নববর্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পহেলা বৈশাখের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশ নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে সবাইকে আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হবার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। বাংলা নববর্ষ সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ শাসনের অবসানের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নিয়েই সব শ্রেণি পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নববর্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আপডেট টাইম : ১০:২৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পহেলা বৈশাখের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশ নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে সবাইকে আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হবার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। বাংলা নববর্ষ সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ শাসনের অবসানের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নিয়েই সব শ্রেণি পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।