ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬ বার

বাংলাদেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিল ৯.১৩ শতাংশে। এছাড়াও, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চে খাদ্যপণ্যের দাম কমায় মূল্যস্ফীতির হারে প্রভাব পড়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ। অপরদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭২ শতাংশে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯.২১ শতাংশ ছিল। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.০২ শতাংশে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলেও সামান্য স্বস্তি দেখা গেছে; সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে স্বল্প আয়ের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৮.০৬ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি এখনও মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে বেশি থাকায় শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় পুরোপুরি বৃদ্ধি পায়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছায়, তখন মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৯৩ শতাংশ। সেই সময়ের ব্যবধান ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট হলেও বর্তমানে তা কমে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

আপডেট টাইম : ১০:৫০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিল ৯.১৩ শতাংশে। এছাড়াও, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চে খাদ্যপণ্যের দাম কমায় মূল্যস্ফীতির হারে প্রভাব পড়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ। অপরদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭২ শতাংশে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯.২১ শতাংশ ছিল। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.০২ শতাংশে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলেও সামান্য স্বস্তি দেখা গেছে; সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে স্বল্প আয়ের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৮.০৬ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি এখনও মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে বেশি থাকায় শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় পুরোপুরি বৃদ্ধি পায়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছায়, তখন মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৯৩ শতাংশ। সেই সময়ের ব্যবধান ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট হলেও বর্তমানে তা কমে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।