ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার

ভোরের আলো ফোটার আগেই যেন দায়িত্বের ভার কাঁধে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর রাত গভীর হলেও থেমে থাকে না তাঁর কর্মযজ্ঞ। দেশের মানুষের জন্য নিরলস এই পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত টানা ১৬ ঘন্টা অফিস করে এই নজির স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু। নিজ দপ্তরে এসেই একের পর এক ফাইল, বৈঠক, সিদ্ধান্ত; সবকিছুতেই ছিলো তীক্ষ্ণ মনোযোগ আর দৃঢ়তা। সময় যেন তাঁর কাছে শুধুই দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম, ক্লান্তির কোনো স্থান নেই সেখানে। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল গড়িয়ে যায়, কিন্তু তার কর্মস্পৃহা বিন্দুমাত্র কমে না।

অতঃপর সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মযজ্ঞ শেষ করে বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেন সংসদ অধিবেশনে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতি নির্ধারণ এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে রাত ৮টা পর্যন্ত সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় উপস্থিতি

যেন একজন রাষ্ট্রনায়কের দায়বদ্ধতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

এরপরও শেষ নয় দিনের কর্মসূচি। রাত পৌঁনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলে। অবশেষে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর শেষ হয় সেই বৈঠক। তারপর আবার সংসদ সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১.৫০টা পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। দৈনিক ১২ ঘন্টা ১৪ ঘন্টা অফিস করা কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন বলা যায়। তবে আজ ছিল প্রায় ১৬ ঘন্টা। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।’

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি, দায়িত্বের প্রতি এক অটল অঙ্গীকারের প্রতীক।প্রধানমন্ত্রীর এই নিরলস পরিশ্রম যেন নতুন করে মনে করিয়ে দেয় নেতৃত্ব শুধু ক্ষমতার আসনে বসা নয়, বরং প্রতিটি মুহূর্তে জাতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার নামই প্রকৃত নেতৃত্ব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:২৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ভোরের আলো ফোটার আগেই যেন দায়িত্বের ভার কাঁধে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর রাত গভীর হলেও থেমে থাকে না তাঁর কর্মযজ্ঞ। দেশের মানুষের জন্য নিরলস এই পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত টানা ১৬ ঘন্টা অফিস করে এই নজির স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু। নিজ দপ্তরে এসেই একের পর এক ফাইল, বৈঠক, সিদ্ধান্ত; সবকিছুতেই ছিলো তীক্ষ্ণ মনোযোগ আর দৃঢ়তা। সময় যেন তাঁর কাছে শুধুই দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম, ক্লান্তির কোনো স্থান নেই সেখানে। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল গড়িয়ে যায়, কিন্তু তার কর্মস্পৃহা বিন্দুমাত্র কমে না।

অতঃপর সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মযজ্ঞ শেষ করে বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেন সংসদ অধিবেশনে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতি নির্ধারণ এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে রাত ৮টা পর্যন্ত সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় উপস্থিতি

যেন একজন রাষ্ট্রনায়কের দায়বদ্ধতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

এরপরও শেষ নয় দিনের কর্মসূচি। রাত পৌঁনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলে। অবশেষে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর শেষ হয় সেই বৈঠক। তারপর আবার সংসদ সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১.৫০টা পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। দৈনিক ১২ ঘন্টা ১৪ ঘন্টা অফিস করা কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন বলা যায়। তবে আজ ছিল প্রায় ১৬ ঘন্টা। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।’

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি, দায়িত্বের প্রতি এক অটল অঙ্গীকারের প্রতীক।প্রধানমন্ত্রীর এই নিরলস পরিশ্রম যেন নতুন করে মনে করিয়ে দেয় নেতৃত্ব শুধু ক্ষমতার আসনে বসা নয়, বরং প্রতিটি মুহূর্তে জাতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার নামই প্রকৃত নেতৃত্ব।