ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লুই আই কানের নকশার ইতিহাস শোনালেন মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৩৭০ বার

বুধবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লুই আই কানের নকশার অজানা ইতিহাস নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরে শোনালেন!

সম্প্রতি রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধি স্থানান্তরের বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা অনেকটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সরকার ইতোমধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের মূল নকশা সংগ্রহ করেছে। নকশায় ডিজাইন বাস্তবায়ন করতে হলে সংসদ ভবনের উত্তর পাশে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিসহ কয়েকটি স্থাপনা সরাতে হবে।

এই নকশা নিয়েই ইতিহাস জানাতে গিয়ে মেজর জিয়াকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ দাবী

করে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা সেটা বড় কথা নয়, তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। তার সমাধি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন সরকারি দলের লোকজন। আমি তাদের প্রশ্ন করতে চাই আপনারা বলছেন সংসদ ভবন এলাকার সব স্থাপনা সরাবেন, যুক্তি দিচ্ছেন লুই কানের নকশার পুনঃস্থাপনা করবেন। কিন্তু তিনি কীভাবে এই নকশা করেছিলেন সেটা আমাদের জানতে হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘লুই আই কান কখন, কীভাবে কোন পরিস্থিতিতে নকশা করেছেন, তা আমাদের জানতে হবে। তৎকালীন সবচেয়ে বড় ডিক্টেটর আইয়ুব খান ঢাকায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাজধানী করতে চেয়েছিল। তিনি ফার্মগেটের এই জায়গাটিকে বেছে নিয়েছিলেন। আইয়ুবনগর নাম দিয়ে সংসদ ভবন, কেন্দ্রীয় সরকার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেন। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানকে বেছে নেয়া হয়। পরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে তিনি এই নকশা করেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারকে বলতে হবে আপনারা লুই আই কানের নকশা বাস্তবায়ন এবং পাকিস্তানের পতাকাকে পুনঃস্থাপন করতে চান। এজন্য শুধু কথা বললেই হবে না, কি করতে চান, পেছনটা দেখুন সেটা জানুন।’

আলোচনা সভায় বক্তব্য আরো রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

লুই আই কানের নকশার ইতিহাস শোনালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট টাইম : ১১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৬

বুধবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লুই আই কানের নকশার অজানা ইতিহাস নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরে শোনালেন!

সম্প্রতি রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধি স্থানান্তরের বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা অনেকটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সরকার ইতোমধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের মূল নকশা সংগ্রহ করেছে। নকশায় ডিজাইন বাস্তবায়ন করতে হলে সংসদ ভবনের উত্তর পাশে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিসহ কয়েকটি স্থাপনা সরাতে হবে।

এই নকশা নিয়েই ইতিহাস জানাতে গিয়ে মেজর জিয়াকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ দাবী

করে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা সেটা বড় কথা নয়, তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। তার সমাধি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন সরকারি দলের লোকজন। আমি তাদের প্রশ্ন করতে চাই আপনারা বলছেন সংসদ ভবন এলাকার সব স্থাপনা সরাবেন, যুক্তি দিচ্ছেন লুই কানের নকশার পুনঃস্থাপনা করবেন। কিন্তু তিনি কীভাবে এই নকশা করেছিলেন সেটা আমাদের জানতে হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘লুই আই কান কখন, কীভাবে কোন পরিস্থিতিতে নকশা করেছেন, তা আমাদের জানতে হবে। তৎকালীন সবচেয়ে বড় ডিক্টেটর আইয়ুব খান ঢাকায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাজধানী করতে চেয়েছিল। তিনি ফার্মগেটের এই জায়গাটিকে বেছে নিয়েছিলেন। আইয়ুবনগর নাম দিয়ে সংসদ ভবন, কেন্দ্রীয় সরকার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেন। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানকে বেছে নেয়া হয়। পরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে তিনি এই নকশা করেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারকে বলতে হবে আপনারা লুই আই কানের নকশা বাস্তবায়ন এবং পাকিস্তানের পতাকাকে পুনঃস্থাপন করতে চান। এজন্য শুধু কথা বললেই হবে না, কি করতে চান, পেছনটা দেখুন সেটা জানুন।’

আলোচনা সভায় বক্তব্য আরো রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ।