ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল কিশোরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম সংসদ থেকে ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ দায়িত্বের বাইরে কেউ যেন মন্তব্য না করে : প্রধানমন্ত্রী সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চাই যুদ্ধের মধ্যেই সেনাদের জানাজায় লাখো ইরানির ঢল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে : ডিএসসিসি প্রশাসক প্রথম অধিবেশন ঘিরে অতিথিদের প্রবেশ ও গাড়ি পার্কিং নির্দেশনা ইরাকের মাটির নীচে ইরানের ‘মিসাইল সিটি’

খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার

দেশ গঠনের সার্বিক অবদানের জন্য এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ (মরণোত্তর) ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় ২০২৬ সালের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) সম্মাননা দেওয়া হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় অবদানের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় অবদানের জন্য জোবেরা রহমান (লিনু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ সম্মাননা পাচ্ছে।

সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরীকে (মরণোত্তর) এ পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে।

জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন। এছাড়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।

এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তির পাশাপাশি জাতীয় জীবনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনন্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানসমূহকেও এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার

আপডেট টাইম : ০২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

দেশ গঠনের সার্বিক অবদানের জন্য এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ (মরণোত্তর) ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় ২০২৬ সালের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) সম্মাননা দেওয়া হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় অবদানের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় অবদানের জন্য জোবেরা রহমান (লিনু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ সম্মাননা পাচ্ছে।

সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরীকে (মরণোত্তর) এ পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে।

জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন। এছাড়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।

এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তির পাশাপাশি জাতীয় জীবনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনন্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানসমূহকেও এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।